তেল বাজারে স্থিতিশীলতা বিপর্যয় ঘটছে
হরম জ প রণ ল খ ল প্রসঙ্গ তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো যে হরমুজ প্রণালি আবার চালু হবে কিনা তা নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা অগ্রগতি না হওয়ায় বাজারে তেলের মূল্য চার দশমিক চার ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় বিশ্বজুড়ে তেল প্রবাহের প্রতিকূল পরিস্থিতি চালু হলে কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে আলোচনা প্রায় সব প্রধান বাজারের সংস্থার মতামত গৃহীত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চালু হওয়া প্রণালির প্রভাব গুরুতর হতে পারে
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতিক্রিয়া জ্বালানি বাজারে প্রধান অস্থিরতার কারণ হয়ে উঠেছে। ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা এবং প্রযুক্তি তাদের সামগ্রিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি। তিনি বলেন, “২০১৫ সালের চুক্তি সইয়ের সময়ের তুলনায় ইরান বর্তমানে প্রযুক্তিগত ভাবে অনেক বেশি আগে আছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন চুক্তি বৈশ্বিক সমঝোতার সামগ্রিক বাস্তবতা হতে পারে।”
তেল বাজারের অবস্থা প্রতিটি মাসে হরম জ প রণ ল খ ল প্রসঙ্গে আরও জটিল হয়ে উঠছে। এই প্রণালি পুনরায় চালু হলে জ্বালানি বাজারে বিশ্বের প্রধান পরিস্থিতি অবশ্যই বদলে যাবে। এই সময়ে বিশ্ব তেল বিপণিতে হরম জ প রণ ল খ ল হবে কিনা তা নিয়ে আরও ক্রমবর্ধমান আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই পরিবর্তন বাজারে তেলের দামে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করতে পারে।
তেল প্রবাহ পুনরায় চালু হলে কী হতে পারে?
হরম জ প রণ ল খ ল প্রসঙ্গে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইরানের পক্ষে বিশ্বের মূল জ্বালানি বাজারে তেলের দাম কমানোর প্রয়োজনীয়তা সত্য বাস্তবতা হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই পরিবর্তন প্রাচীন চুক্তি অনুসারে অব�