News

শ্রীমঙ্গলের ‘চা কন্যা’ ও আহমদুল কবিরের স্মৃতি

শ্রীমঙ্গলে চা কন্যার চিত্র ও আহমদুল কবিরের জীবন স্মৃতি শ র মঙ গল র চ কন - ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে শ্রীমঙ্গলের দিকে যাওয়ার সময় সবুজ পাহাড় ঘেরা প্রকৃতিকে পেরে

Desk News
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শ্রীমঙ্গলে চা কন্যার চিত্র ও আহমদুল কবিরের জীবন স্মৃতি

শ র মঙ গল র চ কন – ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে শ্রীমঙ্গলের দিকে যাওয়ার সময় সবুজ পাহাড় ঘেরা প্রকৃতিকে পেরে যাওয়া যায়। এই পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি নারীর ভাস্কর্য চোখে পড়ে। মাথায় ঝুড়ি এবং হাতে চা পাতা তুলার ক্রম এই চিত্রকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন তিনি পথিকদের স্বাগত জানাচ্ছেন চায়ের দেশে প্রবেশ করতে। এই ভাস্কর্যটি আধুনিক বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণের মধ্যে একটি স্থান অধিকার করেছে।

ভাস্কর্যের মূল তথ্য

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মুছাই এলাকায় অবস্থিত সাতগাঁও চা বাগানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এই ভাস্কর্যটি সৃষ্টি হয়েছিল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে। সাতগাঁও চা বাগানের অর্থায়নে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে এবং ২০১০ ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন হয়। এই ভাস্কর্যটি চা শ্রমিকদের কর্ম ও অবদানকে সম্মান জানানোর জন্য গড়ে উঠেছিল।

সাতগাঁও চা বাগানের ইতিহাস এবং এর স্বত্বাধিকারী আহমদুল কবিরের জীবন ও কর্মে বিশেষ আস্থা রয়েছে। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। তার নেতৃত্বে ডাকসুর প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন প্রায় ১৯৪৫-৪৬ মেয়াদে। সরকারি চাকরির চাপে সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি ব্যবসায়ে আত্মনিয়োগ করেন ১৯৫৪ সালে।

আহমদুল কবির ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বিশেষ স্থান অধিকার করেছিলেন। ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক (বর্তমানে পূবালী ব্যাংক) ও আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকদের মধ্যে তার নাম প্রসিদ্ধ। এসেন্সিয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ, ভিটা কোলা ও বেঙ্গল বেভারেজসহ একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান তার হাতে বিকাশ লাভ করে।

Leave a Comment