তোফায়েল আহমেদের জীবনাবসান, ভোলায় হবে দাফন
রাজনৈতিক শিখরে সমাপ্তি
ত ফ য় ল আহম দ র – প্রবীণ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠাতা তোফায়েল আহমেদ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যু ঘটে। তার বয়স ৮৩ বছর। তোফায়েলের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা সূত্রে জানানো হয় যে, তিনি মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সন্ধ্যার মাগুর দিকে ঢাকায় ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে এ রাজনৈতিক কর্মীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার সম্মুখীন ছিলেন। গত সপ্তাহে নিউমোনিয়ায় শ্বাসকষ্ট, হৃদয় সমস্যা ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্মকর্তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ডা. রায়হান রাব্বানীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আট মাস আট দিন ধরে তিনি চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় মৃত্যু ঘটে।
প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা
তোফায়েল আহমেদের জন্ম ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর, দ্বীপ জেলা ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে। তার পিতা আজহার আলী এবং মাতা ফাতেমা খানম। তিনি ভোলা সরকারি হাইস্কুল থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে ভর্তি হন। স্নাতক হওয়ার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।
রাজনৈতিক মূল্যবান কর্ম
১৯৬৪ সালে তোফায়েল আহমেদ আইএসসি ও বিএসসি সম্পন্ন করার পর আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র সন্তান তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নী চিকিৎসক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জীবনে তিনি ইকবাল হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন এবং পরবর্তী বছর মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে সহসভাপতি নির্বাচিত হন। অনুসরণে তিনি আওয়ামী লীগের স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সে বছর ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের