হবিগঞ্জে কিশোরীর মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
হব গঞ জ ক শ র র একজন কিশোরীর মৃত্যু এলাকায় বিস্ময় এবং ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। সোমবার (১ জুন) ভোরে হবিগঞ্জ শহরে একটি সড়কের পাশে কিশোরী নদী দাস অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু হয়, কিন্তু কিশোরী মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। নদী দাস আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর এলাকার অজিত দাসের মেয়ে। এই ঘটনার প্রতি নানা জন মুগ্ধ হয়ে থাকেন।
মৃত্যুর পরিস্থিতি এবং প্রাথমিক তদন্ত
হবিগঞ্জ শহরের সুনারু গ্রামে বাস করেন নদী দাস, যিনি স্বাস্থ্যে উন্নত অবস্থায় কিশোরীর জীবন জুড়ে বিশেষ আশার আলো নিয়ে ছিলেন। তাঁর নানা নারায়ণ দাস নামের পরিবারের অন্যতম সদস্য। এক বছর আগে তিনি বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামে বাস করেন। সম্প্রতি তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন, যার জন্য তাঁর কিশোরী চাঞ্চল্য নিয়ে নানা পরিচিত ব্যক্তি প্রতিক্রিয়া দেখান। তাঁর আইনজীবী সহকারী হিসেবে কাজ করেন দিলিপ দাস, যাঁর সাথে নদী দাস প্রেমে জড়িত ছিলেন।
হবিগঞ্জে কিশোরীর মৃত্যুতে চাঞ্চল্য এলাকায় প্রায় প্রতিটি ঘরে ছড়িয়েছে। কিশোরী নদী দাসকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হয় রোববার (৩১ মে) সকালে দিলিপ দাসের দ্বারা। তিনি কিশোরীকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেন, কিন্তু তার জ্ঞান ছিল না। রাত ৮ টার দিকে তাকে সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় দেখা যায়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিশোরীর নাক ও মুখ রক্তাক্ত ছিল বলে দাবি পরিবারের।
হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কিন্তু ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা যাবে। তিনি তাঁর বিশ্বাস করেন যে কিশোরীর মৃত্যু সম্পর্কে বেশি তথ্য আছে। কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে প্রতিটি ব্যক্তি তাদের ধারণা ব্যক্ত করছেন।
তদন্ত বিস্তার এবং পরিবারের আবেদন
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাজমুল হক বলেন, ঘটনাটি গুরু