নৌপথের ঐতিহ্য ফেরাতে আধুনিকায়নের বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী
নদীপথের ঐতিহ্য চালু করার প্রয়োজনীয়তা
ন পথ র ঐত হ য ফ ছাড়া আধুনিকায়ন বিকল্প নেই এ তথ্য প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান দিয়েছেন। রবিবার চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের সাথে মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে নদীপথগুলি এখনও দেশের জনগণের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পন্টুন সুন্দর আধুনিকায়নের কারণে নৌপরিবহন সেবা পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঐতিহ্য অক্ষুণ্মুখ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিবহন ব্যবস্থার স্থায়ী প্রগতি
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন যে শতবর্ষী স্টিমারগুলি অনেক বার মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কেবল একটি স্টিমার চালু রয়েছে। বাকি পন্টুনগুলি কাজে লাগানো যোগ্য নয়। সেগুলি দ্বারা যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনা করা হচ্ছে এবং সেবার উন্নয়নের প্রয়োজন আছে। নৌ মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালু করেছে।
ন পথ র ঐতিহ্য ফেরার জন্য সরকার একটি উন্নয়ন কাজে বিশেষ ভাবে জড়িত। লঞ্চ টার্মিনালের পরিষেবা দ্বারা জনগণ বৈপ্লবিক পরিবহন ব্যবস্থা পেয়েছে। তিনি জানান যে এটি নৌপথের ঐতিহ্য চালু করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি সুবিধার সূচনা করা হচ্ছে।
নদীপথের পুনঃপ্রাপ্তির প্রয়োজনীয়তা
পরিদর্শন সময় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যা উপস্থিত ছিলেন। ন পথ র ঐতিহ্য পুনঃপ্রাপ্তি দেশের সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সম্মান ও আস্থার বাহন হতে পারে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা করেন।
এই ক্ষেত্রে নৌপরিবহন ব্যবস্থার সুযোগ দ্বারা বেশি বিশেষ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান যে লঞ্চ টার্মিনাল ব্যবস্থার মাধ্যমে নদীপথের গুরুত্ব পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। নৌপরিবহন ব্যবস্থা কেবল স্টিমারে সীমাবদ্ধ নয়। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জনগণ স্থানান্তরে সুবিধায় সুবিধায় পৌঁছে আসতে পারেন।
ন পথ র ঐতিহ্য ফেরার জন্য প্রতিমন্ত্রী একটি চূড়ান্ত পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আধুনিক তেজস্বী লঞ্চ ঘাট স্থাপন করা হবে। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে কাজ চালু করা হয়েছে। নদীপথের ঐতিহ্য ফিরে আসার জন্য নৌপরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্ব স্বীকৃত হয়েছে।
নৌপরিবহন ব্যবস্থার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নৌ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে