মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ঘাতক হামের কারণে
হ ম ম ট ম ত য – হামের প্রভাবে শিশুদের বেশিরভাগ বিপর্যয় সহ্য করছে না। গুরুতর জ্বর এবং নিষ্পাপ চোখে লালচে দানা বৃদ্ধি পেয়েছে নিশ্চিত করে বলা যায়। দেশের হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন বুক ফাটা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। কোনও ওষুধ কিংবা আকুতিই এই ভয়াবহ রোগের সামনে পড়ে আটকাতে পারছে না।
শিশুদের সংখ্যা বেড়ে চলছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর কারণে
গত মার্চ থেকে বর্তমান পর্যন্ত কোনও কম হাম রোগী নেই না। মোট মৃত্যু সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৫৮৫ শিশু পর্যন্ত ছাড়ছে। তবে নতুন করে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া আরও বেশি শিশুকে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ফরিদপুর এবং বরিশালে দুটি নতুন মৃত্যু।
মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. জাহিদ রায়হান জানান, “সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ৭৯ হাজার ৯৮৫ জনের মধ্যে ছাড়ছে না। তবে যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে না পড়ে বাসায় চিকিৎসা করছে তাদের সংখ্যা জানা গেলে আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য আরও বাড়ার আশংকা রয়েছে।”
বিশেষ রূপে কোনও সংক্রমণ হামে দেখা যাচ্ছে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩৭৭ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হয়েছে ৫৬ হাজার ৮৮৬ শিশু। বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহে এই সংখ্যা বেশি উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সতর্ক করেছেন গুরুতর সংকটের আশংকা
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের একজন শিক্ষক জানান, “ঈদে বাড়াবাড়ি যাতায়াতের কারণে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে চলছে। তবে আস্তে আস্তে মৃত্যু ও আক্রান্ত সংখ্যা কমবে।”
অর্থাৎ সরকারি হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা বেশি যে টিকা দেওয়া শিশুদের সংখ্যা ১০৬% ছিল। যদিও এত বেশি শিশু টিকাদানের সুযোগ পেয়েছে, তবুও মৃত্যুর মিছিল অবস্থান করছে না।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন এক প্রতিবেদনে জানান, “হামের চলমান পরিস্থিতি একটি জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এ বিষয়ে বলা হচ্ছে যে এটি শুধু স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, বরং গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট। এটি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং টিকাদান ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে আসছে।”
তিনি আরও বলেন, “হামের ব্যাপকতা এত বেড়ে গেছে যে টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটছে। হামের ভাইরাসের সামনে শিশুদের একটি বড় চ্�