ডিএনসিসি কোরবানি বর্জ্য অপসারণে ব্যাপক কাজ করেছে
ত ন দ ন ১৮ হ জ – ঈদুল আজহার দিনসহ মোট তিন দিনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) কোরবানির বর্জ্য প্রায় ১৮ হাজার ৩৪৪ টন অপসারণ করেছে। এ তথ্য শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা করেন।
অ্যাকশন প্ল্যানের মাধ্যমে কাজ প্রায় সম্পূর্ণ সম্পন্ন হয়েছে
ডিএনসিসির প্রশাসক জানান, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটির নাগরিক, সাংবাদিক এবং কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় উত্তর সিটির কোরবানি পশুর বর্জ্য প্রায় সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।
“৭২ ঘণ্টার সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যানের আওতায় বর্জ্য অপসারণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। ঈদের তৃতীয় দিনে অবিলম্বে নগরের বিভিন্ন স্থানে কোরবানি চালু রয়েছে।”
বর্জ্য প্রাপ্তি কমিয়ে অপসারণ প্রচেষ্টা চালু
প্রশাসক জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, সেই সফরে তিনি ওই স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতায় নগরীর পাড়া-মহল্লা বর্জ্য অপসারণ করার বিষয়ে ধন্যবাদ জানান। এ কাজে ওই কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ
প্রশাসক জানান, সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি মেট্রোরেলের পাশের গ্রিল ভাঙা বা যাত্রীদের ব্যবহার করা লিফটের অচল হওয়ার মতো ভুয়া তথ্য উল্লেখ করেন।
সে বিষয়ে তিনি বলেন, সংবাদ প্রচারের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সত্যতা যাচাই করার জন্য পরামর্শ দেন। কমিটি গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চালু রয়েছে।
যানবাহন ও কর্মকর্তা বরখাস্তের কাজ
কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ডিএনসিসির ৭৫২টি যানবাহন অংশ গ্রহণ করেছে। কিছু ক্ষেত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কয়েকটি যানবাহন অচল হয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ অব্যাহত থাকছে।
প্রশাসক জানান, দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে নিয়মিত গৃহস্থালি বর্জ্যের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান তিনি।
৪৮ ঘণ্টার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রস্তুত
৭২ ঘণ্টার পরিকল্পনার পর রোববার সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা প্রচেষ্টা শুরু হবে। এ কার্যক্রম প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে চালু করা হবে।
পশুর হাটের ইজারাদারদের জামানত সংরক্ষিত রয়েছে। তাদের ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি প্রমাণ পেলে তদন্ত করা হবে। প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্ম