জিয়াউর রহমানের জীবন আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
জ য় উর রহম ন র জ – রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে জীবন এবং বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব জনগণের মনে চিরস্থায়ী প্রভাব রাখবে। তাঁর অমোহ সততা, বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং যথার্থ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান শ্রদ্ধা জনিত হবে।
শনিবার (৩০ মে) শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বলেন, তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস স্থায়ী হয়ে থাকবে। তাঁর অগাধ দেশপ্রেম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর দৃঢ় সংকল্প এখনও প্রাণবন্ত থাকবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের উষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। তার এই আহ্বান সমগ্র জাতিকে মুক্তির প্রতি নিবেদিত করেছিল।
তিনি মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান। স্বাধীনতার প্রতি অটল ভালবাসা সারা দেশে তাঁর প্রতি অনুপ্রেরণা প্রবাহিত করেছিল।
রাষ্ট্রপতি জানান, দেশের বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভাবনা জন্মানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাঁর অবদান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনাকে এক সমন্বিত বীর গোষ্ঠী গঠন করেছিল।
স্বনির্ভরতা অর্জন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির জন্য তিনি বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ সমৃদ্ধ করতে তিনি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রেও তাঁর প্রভাব অপূর্ব ছিল।
তিনি স্বল্প সময় পরিচালনার মধ্যে গভীর দেশপ্রেম ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছিলেন। সেই দূরদর্শিতা এখনও প্রাণবন্ত হয়ে আছে।