জুলাই আন্দোলন ও প্রগতি বিরোধী শক্তির উত্থানে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রয়োজন
শিরিন পারভিন হক | সংবাদ
জ ল ই আন দ লন প – জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে একটি মৌলিক পরিবর্তন ঘটেছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পরিচালনার প্রতি নারী সমাজের সম্মুখীন হওয়া ক্ষমতা বিষয়ে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি জন্ম নিয়েছিল। তখন সরকারের পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রগতিবাদী শক্তিগুলো নিজেদের সামনে তাঁদের নেতা শিরিন পারভিন হকের নেতৃত্বে একটি সংস্কার কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল, কিন্তু ধর্মীয় শক্তি তার বিরুদ্ধে বিরোধিতা করে এবং সেই রিপোর্টে কোনও বিশেষ প্রতিক্রিয়া ছাড়া স্বাক্ষর হয়নি।
সংবাদের ডিজিটাল বিভাগের বার্তা প্রধান রাশেদ আহমেদ শিরিন পারভিন হককে প্রশ্নোত্তর দেয়ার জন্য সাক্ষাৎকার করেছেন। তিনি জুলাই আন্দোলনের সাংস্কৃতিক প্রতিফলন নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেই সাক্ষাৎকারে তাঁর মতামত উপস্থাপন করা হয়েছে।
রাশেদ আহমেদ: সেই সরকারের সময় আপনারা কী দেখেছেন প্রভাবের পরিমাণ?
শিরিন পারভিন হক: উপদেষ্টা পরিষদে অনেক ব্যক্তি ছিলেন যারা আমরা প্রগতিবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলাম। তাঁরা আমাদের সাথে মাঠে ময়দানে আন্দোলন করেছিলেন। সেই অবসরে আমাদের আশা অনেক বেশি হয়েছিল। আমরা মনে করেছিলাম নারী সমাজের বিষয়টি এত গুরুত্ব পেতে পারে।
রাশেদ আহমেদ: জুলাই আন্দোলনের সম্পর্কে কী মনে করেন?
শিরিন পারভিন হক: তখন আমাদের আশা আকাশ ছুঁয়েছিল। কারণ এই দেশে যে ধরনের পরিবর্তন ঘটল সেটা আমরা আগে পাইনি। প্রজন্ম হিসেবে আমাদের কোনও পরিবর্তন পেয়া হয়নি। কিন্তু এই আন্দোলন দ্বারা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম বুঝতে পারে যে এত বড় পরিবর্তন সম্ভব।
আন্দোলনের পরে প্রভাবটি কার কাছে স্থান পেলো তা আমাদের চিন্তার বিষয়। নতুন সরকার গঠনের পর তিনি একটি নতুন ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছেন যে জুলাই আন্দোলন সম্পর্কে নারী সমাজের আস্থা ক্ষীণ হয়ে আসছে। তাঁদের কিছু মৌলিক পরিবর্তন আসলো না।
শিরিন পারভিন হক: নতুন সরকারের আগমনের পর আমরা দেখতে পেলাম তাঁদের দলের মধ্যে নানা রকম আক্রমণ চালানো হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে ক্ষমতার বিস্তার ঘটছে। এই দিকটি আমাদের সাংস্কৃতিক আন্দোলন দ্বারা অবশ্যই সমালোচনা করা হবে।
রাশেদ আহমেদ: আপনি কি জুলাই আন্দোলনকে মুক্তিযুদ্ধের