মাংস উৎপাদনে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল কেন বিশ্বসেরা
প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলি
ম স উৎপ দন চ ন য – পৃথিবীর মাংস উৎপাদন শিল্পে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল সিংহভাগ ভূমিকা পালন করে। চীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মাংস তৈরি করে এবং প্রতিবছর প্রায় ৮০ মিলিয়ন টন মাংস উৎপাদন করে। এ কারণে দেশটি গৃহীত উৎপাদন পদ্ধতি ও দ্রুত শহুর বৃদ্ধির কারণে বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বছরে প্রায় ৪০ মিলিয়ন টন মাংস উৎপাদন করে এবং টেক্সাস, নেব্রাস্কা ও আইওয়া অঙ্গরাজ্যগুলোতে গবাদিপশু খামারগুলি এখানে কেন্দ্রীভূত। সেখানে চর্বিহীন মাংস উৎপাদনের প্রক্রিয়া বিস্তার লাভ করছে যা আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। ব্রাজিল বছরে প্রায় ৩২ মিলিয়ন টন মাংস তৈরি করে এবং আমাজন ও সেরাদো অঞ্চলে বিশাল চারণভূমি বিশ্বের শীর্ষ গরু উৎপাদনের জন্য উপযোগী।
কোরবানি পশু উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলি
যে দেশগুলি কোরবানি জন্য পশু উৎপাদনে সমৃদ্ধ, সেগুলি ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও পাকিস্তান। ছাগল ও ভেড়া উৎপাদনে তারা বিশেষ দক্ষ। জনসংখ্যা ঘনত্ব ও মুসলিম জনগোষ্ঠী কোরবানি চাহিদা বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৯১ লাখ পশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে গণ্য। তবে অধিকাংশ মাংস অভ্যন্তরীণ বাজারে চলে যায়, যদিও হালাল মাংসের আমদানি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পরিবেশ ও টেকনোলজির ভূমিকা
বিশ্বের মাংস শিল্প জলবায়ু পরিবর্তনের সামনে আঘাত পাচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পশুখাদ্য ও চারণভূমি উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে। এ ক্ষেত্রে পরিবেশবিদদের মতে, মাংস উৎপাদন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য একটি বড় সূত্র। কিন্তু ফার্ম টেকনোলজি ও নীতিমালার উন্নয়ন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার পথ দেখাচ্ছে।
পরিবেশবিদদের মতে, মাংস শিল্প গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে অন্যতম বড় ভূমিকা রাখে।
জলবায়ু বিপর্যয়ের প্রতিকূল পরিবেশে উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্প্রতি সাম্প্রতিক পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে অবতরিত হয়েছে। তবে অত্যন্ত যান্ত্রিক পদ্ধতি এবং বৃহত্তম ফিডলট ব্যবস্থা উৎপাদন স্থিতিশিল রাখতে সাহায্য করছে। চীনা মাংস শিল্পে প্রযুক্তি দ্বারা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যেখানে কোরবান