আদ দ ব ন ৬ শ শ শিশু মৃত্যু ঘটনায় আসামি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
মামলা নিয়ে পুলিশ স্বীকৃতি দিয়েছেন
আদ দ ব ন ৬ শ শ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্তে স্বীকৃতি দিয়েছেন। ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল বুধবার ভোরে ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিক ইকবাল স্বীকার করেছেন যে কার্যত অব্যবস্থাপনা ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন ও সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। আসামি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
হাসপাতালে কী ঘটেছিল
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে আসামি কর্তৃপক্ষ স্বীকৃতি জানায়। সত্যতা প্রমাণের পর এসিটি বন্ধ হওয়ার কারণে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ গড়ে উঠেছিল। তদন্ত কমিটি নিয়োগের পর ব্যবস্থা সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আদ দ ব ন ৬ শ শ শিশুদের বয়স ১ থেকে ৩ দিন হতে পারে।
স্বাস্থ্য বিষয়ক অধিদপ্তরের বিবরণ
তদন্তের পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ঘটনার বিবরণ বিস্তারিত করেন। তিনি জানান যে হাসপাতালের এসিটি বন্ধ থাকার কারণে বাতাস প্রবাহ ঘটেনি। আদ দ ব ন ৬ শ শ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে অনুপ্রেরণা করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।
“এসিটি বন্ধ হওয়া সত্ত্বেও বাতাস প্রবাহ ছিল না। আদ দ ব ন ৬ শ শ ঘটনার সম্মুখে আমরা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই।”
তদন্ত কমিটি কী করছে
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটি ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করলে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। স্বাস্থ্য বিষয়ক তদন্তের মাধ্যমে আসামি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কর্মচারীদের দায়বাজি হতে পারে।
পরিবার এবং সাধারণ মানুষের কথা
আদ দ ব ন ৬ শ শ ঘটনার পর পরিবারের মানুষ খুব চিন্তিত হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, শিশুদের চিকিৎসা সম্পর্কে সতর্কতা ছিল না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রতিবেদন দিয়েছেন যে কার্যত এসিটি বন্ধ হওয়ার কারণে জীবন হারিয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতালে শি�