বোয়ালমারীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা
ঘটনা এবং স্থানীয় সাক্ষাতকার
ব য় লম র ত জম ব – বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামে সোমবার রাতে বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম (৭১) কে জমি বিরোধের কারণে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া ও তার পরিবারের সাথে বিরোধের মাঝে ঘটনাটি ঘটেছে। ময়মনসিংগে অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃতদেহ মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ভয় ভুলিয়েছেন যে এই ধরনের শাস্তি আরও বেশি হতে পারে।
“বৃদ্ধার মৃত্যু আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে। তিনি আমাদের পরিবারের ক্ষেত্রে ছিলেন স্থায়ী কেন্দ্র। জমি বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন তার মাকে আঘাত করেছিল,” বলেন নিহতের বোন সবুর নেছা। তিনি বলেন যে এই সংঘর্ষ সামাজিক ভেদাভেদের বৃদ্ধি করেছে।
নিহতের ছেলে আজিজুর মোল্লা জানান, “আমাদের জমি জোর করে টুলু মিয়ারা দখল করে রেখেছে। বাথরুম নির্মাণের সময় আমি আমার মাকে মারধর করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আমি আমার মায়ের হত্যাকারীদের বিচার ও ফাঁসি চাই।”
প্রতিবেদন এবং প্রতিক্রিয়া
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান যে হাসপাতাল থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তাকে মর্গে পাঠানো হবে। তিনি পরিবারের হত্যার ঘটনাকে গুরুতর হত্যার ঘটনা বিবেচনা করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জালাল সিকদার বলেন যে জমি বিরোধে আদালতে মামলা চলছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রস্তুত। তিনি বিশেষ করে বৃদ্ধার হত্যার প্রতি গুরুতর প্রতিক্রিয়া ঘটেছে।
পটভূমি এবং বিরোধের কারণ
বোয়ালমারীতে বিস্তারিত জমি বিরোধ দীর্ঘ সময়ের মতো চলছে। তার মৃত ওজেদ মোল্লার মেয়ে এবং মৃত মুক্তার মোল্লার স্ত্রী ফিরোজা বেগম বিরোধের কেন্দ্রে ছিলেন। দেওয়ানি আদালতে মামলার পর তার পরিবার আদালতের রায় অনুমোদন করেছিল। কিন্তু প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে জোর করে জমি দখল করে রাখার পর তার বাথরুম নির্মাণে লাথি মারার ঘটনা ঘটেছে। এই অপরাধে বিভিন্ন স্থানীয় সংস্থা এবং সামাজিক দলগুলি আরও চাপ বৃদ্ধি করছে।
আইনি প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম
বোয়ালমারী থানার প্রতিবেদন অনুযায়ী হত্যার ঘটনার প্রতি গুরুতর প্রতিক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংগে অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃতদেহ মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় সংস্থাগুলি জমি