রাজনৈতিক আলোচনার মূল কথা: কিচেন কেবিনেটের সংকট
ক চ ন ক ব ন ট – বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে ‘কিচেন কেবিনেট’ শব্দটি অসামান্য ভাবে চর্চা হচ্ছে। এই শব্দটি শুনলে বহু মনে হয় যে কোনো ছায়া শাসনের পরিচায়ক। যেখানে সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানের পরিবার ও পরিচিত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে গুরুত্ব দেয়ার পরিবর্তে আড়ালে বসে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এ ধরনের বিশেষ গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার বাইরে অবস্থিত। তাদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো জনগণের কাছে কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকা।
উৎপত্তি এবং ইতিহাস
এই পরিভাষার উৎপত্তি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে। ১৮২৯ থেকে ১৮৩৭ সাল পর্যন্ত সপ্তম প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসন এক বিশেষ ব্যক্তির ক্ষমতার সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার চেয়ে ব্যক্তিগত পরামর্শ নেন। তখন সমালোচকরা তাঁকে ব্যঙ্গ করে বলেন, তিনি হোয়াইট হাউসের প্রধান দরজা ব্যবহার করেন না, পেছনের দরজা দিয়ে যাতায়াত করেন। সেই থেকেই এই শব্দটি প্রচলিত হয়।
যে কোনো দেশের জন্যই কিচেন কেবিনেট একটি আলোচনামূলক বিষয়। কারণ জনগণের কাছে জবাবদিহি না থাকা ব্যক্তিরা যখন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেন, তখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বল হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাস্তবতা
বিশ্বের নানা প্রান্তে এই ছায়া নীতিনির্ধারক গোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের চুক্তি কমিটি একটি অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা পরিষদের মতো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিকসনের প্যালেস গার্ড ও রিগানের গভর্নরের কক্ষ ছিল কিচেন কেবিনেটের আলোচনামূলক রূপ। আধুনিক যুগে কিচেন