ঈদের দিনে বৃষ্টি, কোন অঞ্চলে কতটা
ঈদ র দ ন ব ষ ট – আবহাওয়ার অস্থিরতা তৈরি হয়েছে প্রকৃতির অনিয়মিত আচরণের ফলে। মৌসুমি বায়ু আসার পূর্বাভাস কয়েক দিন পর্যন্ত রয়েছে। যদিও অনেক স্থানে গরম বৃষ্টি দিয়ে পরিবেশ শীতল হচ্ছে, তবে আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে ঈদের দিন বৈপরীত্য সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশের চার বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। যেমন রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং রাজশাহী। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে অপেক্ষাকৃত শুষ্ক আবহাওয়া দেখা যাবে।
‘ঈদের দিন খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম,’ বলেন আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ।
ঢাকার আবহাওয়া বিশ্লেষক তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, ঈদ দিনে রাজধানীতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ঘটতে পারে। যদিও ঈদের আগের রাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, কিন্তু সময় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
‘এটা সকালে না হলেও বিকেলে হতে পারে,’ বলেন বজলুর রশীদ।
মৌসুমি বায়ু সাধারণত মে মাসের শেষ দিকে বা জুনের শুরুতে দেশে আসে। তবে অপেক্ষাকৃত গুরুতর প্রভাব ফেলছে পশ্চিমা লঘুচাপ। গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত লঘুচাপ কম প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু মার্চের পর থেকে এটি স্থায়ী হয়ে ওঠে।
বর্তমান মে মাসের শুরুতে বৃষ্টি দিয়ে হালকা স্তরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। যাপত্র গত সোমবার খুলনা বিভাগের চার জেলা ও লক্ষ্মীপুরে তাপপ্রবাহ ছিল। মঙ্গলবার (২৬ মে) শুধু বাগেরহাটের মোংলায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সেদিন ঐ এলাকায় তাপপ্রবাহ বলে গণ্য করা হয়নি।
বুধবার (২৭ মে) দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ঘটেছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবহাওয়াবিদদের মতে মৌসুমি বায়ু আসার পর পরিবেশের এই ‘এলোমেলো’ আচরণ কমে যাবে। যাতে বৃষ্টিপাত ধারাবাহিকতা তৈরি হয়।