হামে শিশু মৃত্যুর মিছিলে ফিকে হচ্ছে ঈদের আনন্দ
হ ম শ শ ম ত য – ঈদের আনন্দ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে। সাধারণ কর্মচারীদের তৈরি করা হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে কোরবানি পশু কিনতে সময় আর শিশুদের জন্য নতুন পোশাক প্রস্তুতি। শপিংমল আর দোকানগুলোতে হাজারো মানুষ জমে আছেন। এতে বিশেষ ভাবে বিশেষ রেসিপি তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু খাবারের। শিশুদের হাতে হাতে নতুন জামা পরার কথা ছিল, কিন্তু সেই উৎসব অনেকটা বিষণ্নতার ছায়ায় ঢেকে গেছে।
গত ৭২ দিনে হাম আর হামের উপসর্গে ৫৫৫ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এখনও এই মিছিল অবসান হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দশটি শিশু হারিয়েছে। ঈদের ছুটির আগে অনেক পরিবার উৎসবে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ বিশ্বাস করেছিল, কিন্তু তারা এখন মৃত্যুর কালো ছায়া কাটিয়ে সন্তানকে বাঁচানোর উপায় খুঁজছে।
ঈদের উদযাপনে ভিড় আর শিশু মৃত্যু ছায়ায় মাতম
রাজধানীর মিরপুরে রাশেদা বেগমের কোলে শূন্য ছায়া ছড়িয়েছে। তার ২ বছর বয়সী ছেলে রাকিব গত সপ্তাহে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। ঈদে নতুন জামা কিনে রেখেছিলেন তিনি ছেলের জন্য। কিন্তু সেই জামার সুযোগ আর এলো না।
‘ছেলের জন্য নীল রঙের পাঞ্জাবি কিনেছিলাম। ওই পাঞ্জাবিটা এখনও পড়ে আছে। কখনো পড়াতে পারলাম না।’
ঈদের আনন্দে বিশেষ ভাবে কেনা জামা এখন শিশুদের প্রাণহারণের মিছিল হিসেবে স্মৃতির মাতম তৈরি করেছে। গত সপ্তাহে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে রাকিব। এখন তার মা তার নিথর দেহ জড়িয়ে কাঁদছেন।
হামে রোগীদের চিকিৎসাসেবায় দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি এখন তারা প্রিয়জনদের সঙ্গে উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়েছে। যেখানে নতুন জামা পরার কথা ছিল, সেখানে কেবল শূন্য কোল আর শিশু মৃত্যু দেখছেন।
ঈদের ছুটির আগে দেশের কোথাও না কোথাও কোনো মা হয়তো তার সন্তানের নিথর দেহ জড়িয়ে কাঁদবেন। পুষ্টিহীনতা ও চিকিৎসার অভাবে জটিলতা বাড়ছে। শিশুদের কেউ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, কেউ তীব্র ডায়রিয়ায়। যেসব