সাটুরিয়ার ঐতিহ্যবাহী হরগজ পশুর হাট জমে উঠেছে
হাটে দেশি গরু ভালো ভাবে সরবরাহ হয়েছে
স ট র য় র ঐত হ – মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হরগজ পশুর হাট সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে এতটা জমে উঠেছে যে তা কোনও অবিস্মরণীয় দৃশ্য তৈরি করেছে। সাপ্তাহিক হাটের দিনে স্থানীয় সম্প্রদায় ও পারস্পরিক বাণিজ্যের জন্য বিশাল সংখ্যক দেশি গরু হাটে তুলে আনার জন্য সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সাপ্তাহিক হাটের দিনে ক্রেতারা সময়ের সাথে সাথে আসতে শুরু করেন।
ক্রেতাদের মধ্যে দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
হাটে সরবরাহ হওয়া পশুগুলো সাধারণ স্বাস্থ্য অবস্থার চেয়ে অনেক সুন্দর ছিল, তবে দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা গেছে। ঢাকা থেকে আসা ক্রেতা নাঈম বলেন, ‘গরুর সরবরাহ ভালো হলেও বিক্রেতারা আরও কিছুটা উন্নত দাম চাচ্ছেন। সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
‘অত্যধিক তাপমাত্রার কারণে হিট স্ট্রোকে অনেক গরু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমি নিজে মেডিকেল টিমের সঙ্গে থেকে বেশ কয়েকটি অসুস্থ পশুকে জরুরি চিকিৎসা দিয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত একটি গরু মারা গেছে।’
হাটে সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ
তীব্র গরমের কারণে পশুগুলো অস্থির হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের একটি বিশেষ মেডিকেল টিম হাটে স্থায়ীভাবে পর্যাপ্ত পানি প্রদান ও চিকিৎসা ব্যবস্থা করছে। সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানজিলা ফেরদৌসী জানান, সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা বাড়তি দামে পশু কিনছেন।
তিনি আরও বলেন, উত্তপ্ত মরুভূমিতে পশুগুলোকে সমুদ্রতীরের মতো অনেক জরুরি পানির ব্যবস্থা করা আবশ্যক। বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের কারণে হাটে নিরাপত্তার জন্য একটি স্থায়ী পুলিশ বক্স রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
হাটের উন্নয়ন ও অর্থনীতির ভূমিকা
হরগজ পশুর হাট এই অঞ্চলের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও খামারিরা উল্লেখ করেন, পশুগুলোকে সুরক্ষিত অবস্থায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আবশ্যক।