হামে ঝরলো আরও ১৭ শিশু, মৃত্যু বেড়ে ৫৪৫
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী
হ ম ঝরল আরও ১৭ শ শ – হামে আরও প্রায় ১৭ শিশু ঝরলো এবং মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৫৪৫ হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায় গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই রোগের কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে একজন সংক্রমিত এবং ১৬ জন উপসর্গ নিয়ে। এ পর্যন্ত সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা হাম কেন্দ্রিক রোগের জন্য সর্বোচ্চ হয়েছে। এই সংখ্যা কেন্দ্রিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে সর্বোচ্চ মৃত্যু বেড়েছে।
তালিকার অনুযায়ী, হামে নিশ্চিত হাম ক্ষেত্রে সর্বমোট ৮ হাজার ৭১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই পর্যন্ত সন্দেহভাজন রোগীদের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৯৪০ জনে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার ১২৭ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ লক্ষিত হয়েছে। এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর ভর দিয়েছে অধিদপ্তর।
বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব
হামে মৃত্যু ঘটার অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঢাকা বিভাগে নিশ্চিত হয়েছে একজন। একই সময়ে রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং বরিশালে প্রত্যেকে দুই জন শিশু মৃত হয়েছে। ময়মনসিংহ এবং সিলেটে যথেষ্ট পরিমাণে শিশু মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা সম্পর্কে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
এই রোগের কারণে গুরুতর ক্ষেত্রে শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আক্রান্ত শিশুদের জন্য যথাসম্ভব চিকিত্সা প্রদান করা এবং রোগ বিস্তার রোধের জন্য টিকাদান কার্যক্রম তীব্র করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন হামে ঝরা শিশুদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক মাত্রা পেয়েছে।
গুরুতর স্থিতির কারণ
গত কয়েক দিনে হাম সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গুরুতর স্থিতির প্রধান কারণ হল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও পরিচালনার কমতি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে গত দিনগুলোতে হামে ঝরা শিশুদের সংখ্যা আগের তুলনায় বেশি হয়েছে। সে কারণে শিশুদের জন্য আলাদা করে টিকাদান প্রক্রিয়া গুরুতর করা হয়েছে।
এছাড়া শিশুদের জন্য প্রতি বাড়ি পরিদর্শন ও টিকাদানের প্রচার করা হচ্ছে। গত দিনগুলোতে পরিসংখ্যানে হাম সংক্রমণের স্তর বেড়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতে হাম ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার জন্য জনসাধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে হাম রোগে সংক্রমণের প্রক�