দেশের ৬০ শতাংশ মানুষেরই নেই প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ
দ শ র ৬০ শত শ ম – দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন নি এমন তথ্য খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত গবেষণার সাথে প্রমাণিত হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ছাড়া দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষের চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও বিপদ মোকাবিলার ক্ষমতা প্রভাবিত হয়। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি অপেক্ষা প্রয়োগে বৃহৎ পার্থক্য রয়েছে, যা ম্যাস বার্ন ও বহুমাত্রিক আঘাতে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করছে।
সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার অসম্পূর্ণতা
গবেষণার পরিচালনা করেছেন বিএমআরসি সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে খুলনা সিএমএন অ্যান্ড বসু হেলথ রিসার্চ সেন্টার। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান গবেষক অধ্যাপক বঙ্গ কমল বসু বলেন, কাগজে-কলমে প্রস্তুতি রয়েছে বলে সত্যি করে দেখা গেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের কমিউনিটি প্রস্তুতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি বৃহৎ সংকট ঘটিয়েছে। দেশের প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্য প্রস্তুতি নিয়ে বুঝে থাকেন না, যা আপাতত বিপদ মোকাবিলার সংকট বৃদ্ধি করছে।
গবেষকদের সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পাঞ্চল ও হাসপাতালের সক্ষমতা চিহ্নিত করে মানচিত্র তৈরি করা, সড়কে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের নিরবচ্ছিন্ন চলাচলের জন্য ‘গ্রিন করিডর’ করা এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা। এগুলো দেশের ৬০ শতাংশ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের অধিকাংশ গণদগ্ধ রোগী পরিবহনের সময় রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অজ্ঞানতা অনুভূত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো কমিউনিটি পর্যায়ের সামাজিক সক্ষমতার অভাব। এই অভাব অনুসারে দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ বিপদের সময় সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম নয়।
প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও বিপদ মোকাবিলার ক্ষমতা
প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে সক্ষম সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা দেশের প্রায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ করে। এই ক্ষমতার উ