দ ল র হ ফ জ কবিতার স্বাদ ও সমালোচনা
দ ল র হ ফ জ র কবিতায় ভাবনার প্রবাহ এমন নীরব স্বাদ জাগায় যে পাঠককে ধীরে ধীরে আবেগের স্পর্শ বোধ করিয়ে দেয়। কবিতার প্রথম বাক্য থেকেই সাবাদ প্রাণীর নিঃস্বাস্থ্য আবেগ ছড়ায় গেলেও সে হাফিজের বন্ধুত্বের গভীর গুঞ্জন বোঝা যায়। সময়ের সাথে যাওয়া কবিতার সংগ্রামে মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব স্পষ্ট হয়, যেমন টরন্টো সিটিতে বন্ধু হারিয়ে যাওয়া হাফিজের দুঃখ এক দুর্দান্ত ছবির সাথে সামঞ্জস্য পায়।
মনের দুর্গম রাস্তার পথে আবেগের বিপুলতা
প্রাণী নিজেকে অপরিচিত স্থানে নিয়ে যাওয়া কবিতার প্রথম অংশে হাফিজের স্বাস্থ্য ও আনন্দের সুবর্ণ-রেখা একটি ছায়ায় ফুটে ওঠে। সে মিউজিক পার্কে সবুজ ছায়ার মধ্যে নিজের বিচ্ছু বাঁধে না বলে হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কে একটি দুঃখজনক তথ্য প্রকাশ করে। কবিতার চরম পর্যায়ে হাফিজের মনের তীব্র আবেগ স্পষ্ট হয় যখন সে নীলাকাশের আলো নিয়ে তার ধুলোময় পোশাক কেটে তোলে।
টিমহর্টন কাফে ও সুপারস্টার ড্রেকের নতুন এ্যালবামের বিষয় যুক্ত হয়ে কবিতার অন্তর্ভুক্ত হয় আবেগের ভিতর গৃহীত শব্দগুলি। হাফিজের প্রতিটি লাইনে সুর ছড়ায় গেলেও তা শুধু বিষয়ের তীব্রতা তো নয়, সাথে সাথে প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্কের একটি বিশেষ প্রকাশ ঘটে। কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হারানো বন্ধু দ্বারা প্রকৃতি ও শহরের মধ্যে বিভেদ বোঝা যায়।
সৌন্দর্য ও বিচ্ছু ছাড়া হারানো বিশ্বাস
সাবওয়ে ধরে ইউনিয়ন স্টেশনে গিয়ে হাফিজ অচেনা আগন্তুক হিসেবে নিয়ে যায়। সে যাত্রী রাস্তার সাথে তার বিচ্ছু সম্পর্কে দৃষ্টি দিয়ে থাকে যে নিজের সুপ্ত ভাবনাকে জাগিয়ে তোলে। কবিতার গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রিক ভাবনা হলো হারানো জন্মসূত্র দ্বারা সার্থকতা খুঁজে পাওয়া প্রবাহ কবিতার প্রতি আবেগের তীব্রতা বোঝা যায়।
হাফিজের ছবি ও কবিতা মানুষের স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত হয়ে থাকে যে সে শহরের জাজিম মানুষ হতে চায়। আইসবোট টেরেসের রক্তিম চত্বরে সে সবুজ তৃণ মানুষকে স্মরণ করে যে একটি পুরো জীবনের ছেঁড়া ছায়ার মধ্যে ছিল। কবিতার প্রাণকে তুমুল উচ্ছ্বাসে আবার জাগায় যে এটি এক নতুন মানুষের কথা বলে।
পোশাকে ধুলোময় সঙ্গে ভূমিহীন স্মৃতিচিহ্ন ছড়ায় গেলেও তার নিজের জীবনের সমস্ত সুবর্ণ রেখা অনধিক যাত্রীর সাথে যুক্ত হয়। তরুণ, তরুণী ও বৃদ্ধ সবাই এক সামান্য উদাসীনতার মধ্যে প্রবাহিত হয়।
এই কবিতার মূল ভাবনা হলো মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের গুরুত্ব। হাফিজের মনের তীব্র আবেগ কবিতার মধ্যে সর্বত্র চারপাশে ফুটে ওঠে। তার সুপ্ত স্বাদ হলো দিলারা ও হাফিজের মধ্যে যে বন্ধুত্ব প্রকাশ পেয়েছে তার উপর আবেগ আরো জোর পায়। শহরের জাজিম হাত দিয়ে হাফিজ নিজেকে দুর্দান্ত উপস্থাপন করে।