গাইবান্ধায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
গ ইব ন ধ য় ধ ন – গাইবান্ধায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলতি মৌসুমে আয়োজিত হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সকালে গাইবান্ধা সদর এলএসডি চত্বরে অনুষ্ঠানে অভিযানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ অভিযানে গাইবান্ধার কৃষকদের ধান ও চাল সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সরকারি গুদামে যথাযথ সরবরাহ করা সম্ভব হয়। উদ্বোধনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা অংশ গ্রহণ করেন।
অভিযানের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব
খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে গাইবান্ধা জেলায় ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষকদের অধিকার রক্ষা করার উদ্দেশ্যে এই অভিযানটি খাদ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানটি একটি কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসাবে চালু করা হয়েছে যাতে সরকারি গুদামে সম্পূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। ধান সংগ্রহে কৃষকদের বাজার মূল্যের প্রতি নিশ্চিত করা হচ্ছে যাতে তাদের অর্থনৈতিক অস্ত্র বিপন্নতা থেকে রক্ষা করা যায়।
নিরাপত্তা ও প্রক্রিয়া
অভিযানে নিরাপত্তার জন্য কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের সময় মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। কৃষকদের অনলাইনে নিবন্ধনের পর লটারির মাধ্যমে চূড়ান্ত বিক্রেতা নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রে কৃষকদের অধিকার বিপন্ন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান।
“কৃষকদের মূল্য নিশ্চিত করতে এবং খাদ্য বিভাগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গাইবান্ধায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চালু করা হয়েছে। এ অভিযানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ধান ও চাল কেনা হবে যাতে কৃষকদের আর্থিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।”
উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং খাদ্য বিভাগের কর্মীদের সহযোগিতায় ধান ও চাল সংগ্রহ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি কৃষক প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্য কর্মী এ অভিযানে যুক্ত হয়েছেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে গাইবান্ধায় খাদ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া সুগম ও স্বচ্ছ হবে। ধান ও চাল সংগ্রহে প্রকৃত কৃষকদের যথেষ্ট পরিমাণে অংশগ্রহণ করা হবে যাতে তাদের আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়।
খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে গাইবান্ধায় ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে। সর্বমোট সংগ্রহের লক্ষ্য ৩৫ হাজার ৫