ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর পর বিতর্ক আরও বেড়েছে
ফলত য় ত ণম ল প র – ফলতা বিধানসভা আসনে পুনর্নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর ভোট গ্রহণের আগেই দাঁড়ানো সরে গেলে বিজেপি সাফল্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের কাছে বিপুল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “ফলতা জনতা জনার্দন গণদেবতাকে নত মস্তকে প্রণাম জানাই। বিজেপি প্রার্থীকে এক লক্ষ আট হাজার ভোটে বিজয় ঘোষণা করার জন্য তাদের আবেদন করেছিলাম, যার ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার ছাড়া থাকেনি।”
শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।”
বিজেপির বড় জয় প্রতিষ্ঠিত করে তিনি লিখেছেন, যে পুনর্নির্বাচন ফলতার জনতা জনার্দনের ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা দলের কাছে এই সফলতা নতুন আলোচনা আহ্বান জানায়।
তিনি আরও বলেন, “একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া ছিল তাদের রাজনীতি।”
তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি আরও অভিহিত করেন, নাম না করে অভিষেক ব্যানার্জিকে নিশানা করেন। তিনি লেখেন, “প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল।”
শেষে তিনি উল্লেখ করেন, “যখন ভোটাররা নিজের ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছেন, তখনই প্রকৃত জনমত সামনে এসেছে।” তিনি দাবি করেন, “এ তো সবে শুরু। প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এখনো বাকি। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে ‘নোটা’র বিরুদ্ধেও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। ত্রিপুরায় ইতিমধ্যেই তারা ইতিমধ্যে ‘নোটা’ কাছে পরাজিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে একই ছবি আরও দেখা যাবে।”