আস্থা ভোটে বিজয়ের ম্যাজিক
আস থ ভ ট ব জয় র – তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক চালানো কি আসলেই এক নতুন পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটেছে? এ বিষয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে যখন অভিনেতা থেকে রাজনীতিজন হওয়া থালাপতি বিজয় আস্থা ভোটে দীর্ঘ কাল ধরে আধিপত্য রাখা সম্ভব হয়েছে বলে প্রমাণ করেন। এ ভোটে তিনি নিজের সরকার পুনরায় নিশ্চিত করেন যার মাধ্যমে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তাঁর অবস্থানের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ আসন। তবে বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম নির্বাচনে ১০৮ আসন অর্জন করেছে—এটি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দুর্দান্ত দূরত্বের কারণে জোট ব্যবস্থা ছিল তাঁর জন্য শেষ সম্ভাবনা। কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে এবং আইইউএমএল দলগুলির সমর্থন নিয়ে তিনি আস্থা ভোটে সরাসরি ১৩ জন বিধায়কের সহায়তা পান। টিটিভি দিনাকরণের দল থেকেও এক বিধায়ক তাঁর প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
তামিলনাড়ু রাজনীতিতে এই সংখ্যাগুলি মূলত বিজয়ের বিজয়ের পথ সূচিত করেছে। এআইএডিএমকে নিয়ে আসল চমক ঘটেছে—বিধায়কদের এক তালিকা ছিল বিজয়ের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার, কিন্তু কমপক্ষে ২৪ জন বিধায়ক তার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। এক জন বিধায়ক ভোটদান বিরত থাকেন। সেই বিদ্রোহের ফলে ভোটের সংখ্যা গুরুতর পরিবর্তিত হয়।
ডিএমকে দলের ৫৯ জন বিধায়কের বাইরে আসা একটি গুরুতর বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। তারা ভোটে অংশ নেওয়া ছাড়া গেলে বিপক্ষের সংখ্যা কমে যায়, যা বিজয়ের জন্য আরও সুবিধাজনক। বিজয় বলেন, “আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু সরকার বলব। সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করব।” এই বক্তব্য সংখ্যার বাস্তবতা স্বীকৃত করেছে এবং সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকের দিকে নজর রেখে রাজনৈতিক বার্তা প্রেরণ করেছে।
বিজয়ের জয় তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক বিশ্ব ভেসে যাওয়া কারণে নতুন পরিবর্তনের চিহ্ন হিসেবে উঠে এসেছে। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে ছাড়া আগে কখনও একটি স্থায়ী ক্ষমতার শিখরে উঠেছে না। এ ক্ষমতার পরিবর্তন সামনে দাঁড়ায় যা এক ঐতিহাসিক পালাবদলের প্রতীক।
তবে এই পরিবর্তনের আরও পরীক্ষা আছে। সংখ্যার ভিত্তিতে আস্থা ভোটে জয় পেয়া একটি বিষয়, কিন্তু সেই সমর্থন স্থায়ী করে সরকার