মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ভবনহীন তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ
স ব ধ নত র ৫৫ বছর – ৫৫ বছর ধরে ঘিওর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ নিজস্ব কমপ্লেক্স পেয়েছে না। সদর, বড়টিয়া এবং নালি ইউনিয়নগুলো কার্যক্রম চালাচ্ছে প্রাচীন ও টিনের ভবনে। দাপ্তরিক কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে এই পরিষদগুলোতে।
ডিজিটাল সেবার অপসারণ এবং বোঝাপড়া মুক্তির অভাব
অস্থায়ী ভবনে কাজ চালানোর কারণে বিশাল সংখ্যক মানুষ ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নথিপত্র ভিজে যাওয়ার প্রকৃতি বৃষ্টির সময় চুইয়ে পড়ে। সড়ক থেকে ৪-৫ ফুট দূরে থাকায় নিরাপত্তি না থাকার কারণে বিপর্যস্ত হচ্ছে বিভিন্ন সেবা প্রদান।
“১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত নিজস্ব ডিজিটাল কমপ্লেক্স হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ভবন নির্মাণ আটকে আছে। দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে দ্রুত ভবন নির্মাণ জরুরি।”
নালি ইউনিয়নের শোচনীয় অবস্থা
নালি ইউনিয়ন পরিষদ আরও দুঃখজনক অবস্থায় আছে। ১৯৭৩ থেকে তাদের সব কার্যক্রম একটি অস্থায়ী টিনের ঘরে চলছে। ডিজিটাল কমপ্লেক্স নির্মাণের বরাদ্দ পেলেও ভূমি জটিলতার কারণে কাজ সম্পন্ন হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুসারে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে বিপর্যস্ত হচ্ছে। টিআর, জিআর, ভিজিএফ ও ভিজিডি সহ ত্রাণসামগ্রী সংরক্ষণ ও বিতরণে জনপ্রতিনিধিরা বিপর্যস্ত হচ্ছে। গুদামঘর অনুপস্থিতির কারণে সেবা প্রদান অসম্ভব হয়েছে।
গুদামঘর ছাড়া বিপর্যস্ত সংস্থা
ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তারা বারান্দার ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে কাজ করছে। একতলা ভবনটির ছাদ ও বিমে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে, পলেস্তারা খসে বেরিয়ে পড়েছে রড। সামান্য বৃষ্টির সময় ভেতরে পানি ঢুকে পড়ছে।
ঘিওর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানভীর ইসলাম বলেন, ভবনহীন ইউনিয়ন পরিষদগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।