নারী, তরুণ ও জলবায়ু সুরক্ষায় জনবান্ধব বাজেটের জোরালো দাবি
ন র তর ণ ও জলব য় – নারীদের সুরক্ষা, তরুণদের উন্নয়ন ও জলবায়ু প্রতিরোধ বিষয়ে সরকারকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার দাবি আজকাল জোরালো হয়ে উঠেছে। এ দাবিতে সংবাদ খাতে সুস্থ অর্থনৈতিক প্রসারের প্রেক্ষাপটে আবারও এক বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক তহবিলের ভিত্তিতে এখন নারী, তরুণ ও জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মসূচি গড়ে তোলার সময় আসেছে। এ দাবি জানিয়ে সংলাপে অংশ নিয়েছেন শিক্ষাবিদ, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন সমাজ গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।
বাজেটে শিক্ষা ও জলবায়ু খাতে স্থায়ি নীতি আবেদন করা হয়েছে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শিক্ষাখাতে বরাদ্দ প্রায় দুই দশকে কমে গেছে। পূর্বে জিডিপির ২.৮ শতাংশ বরাদ্দ ছিল, কিন্তু এখন এটি প্রায় ১.৭২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ সময় জেন্ডার বাজেটের পরিধি কমে যাওয়ায় নারীদের বিশেষ সুবিধা না দেওয়া হচ্ছে। জলবায়ু ঝুঁকির মুখে থাকা দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ মাত্র ২.৮৯ শতাংশ। এ সংক্রান্ত বিষয়ে নিশ্চিত করে এ বাজেট দিয়ে উন্নয়নের সুফল সবার জন্য সুসম্পাদিত করা হয়নি।
“জলবায়ু সংকটের মুখে আমরা আন্তর্জাতিক তহবিল ও স্থায়ি কর্মসূচি দিয়ে বাজেট সম্পর্কে আলোচনা করছি। নারীদের জন্য বিশেষ সময়ে কাজ চলছে না দেখে এ বাজেট কার্যকর হবে কি?” বলেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞ।
বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির কারণে নারী, তরুণ ও জলবায়ু সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কম বরাদ্দে সমাজের প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়ে উঠেছে। কৃষি খাত সহ নানা ক্ষেত্রে জলবায়ু প্রতিরোধের জন্য আরও সম্পূর্ণ সুযোগ দরকার। তরুণ সমাজের জন্য বৃত্তিতে দাবি থাকায় কর্মসংস্থান বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের প্রতি অপূর্ণতা দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে
এ বিষয়ে সংলাপে অংশ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তিনি বলেন, “জেন্ডার বাজেটের মাধ্যমে নারীদের জন্য স্বাধীন সুযোগ দিতে হবে। তরুণদের শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান প্রতিরোধের জন্য সরকার বেশ