জাদুকাটার পাড় কেটে বালি লুট, ৮ জনের নামে মামলা
তদন্ত কাজ চলছে বালি চুরি মামলায়
জ দ ক ট র প ড় – জাদুকাটার পাড় কেটে বালি চুরির অভিযোগ দায়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর এলাকায় আটজনকে মামলা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে থানার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক নাজমুল ইসলাম মামলাটি দায়িত্বে নিয়েছিলেন। ঘটনার প্রকৃতি নদী থেকে বালি লুণ্ঠনের মধ্যে রয়েছে যা স্থানীয় স্তরে ভারী নেতিহাস তুলে ধরে। আসামি হিসেবে নাম উঠেছে উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের প্রধান সন্তানদের নামে। পুলিশ জানায় ঘটনার পর থেকে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং আসামিরা এখনও বন্ধ হয়ে না পড়েছে।
অভিযুক্তদের পরিচয় ও অপরাধের প্রকৃতি
মামলার নামীয় আসামিরা হলেন উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের মান্না মিয়া ওরফে শাহ মান্না, রোমান মিয়া ওরফে রোমান শাহ, মখসিনুর মিয়া ওরফে মখসিনুর শাহ, ইমাম হোসেন ও তোফাজ্জল হোসেন। অপর তিন-চারজন কেটে গেছে নাম পরিচয়ে। পুলিশ আসামি তাদের সম্ভাব্য সম্পর্ক নৌকা সমূহ ও পরিচয়ে গুরুতর তদন্ত চালাচ্ছে। এ ঘটনায় অভিযোগ করেছে স্থানীয় বাসিন্তা ও এলাকার নিকট প্রতিনিধি দের প্রতিবেদন। জাদুকাটার পাড় কেটে নদীর গভীর স্থান থেকে বালি বাহার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ চলছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও তাহিরপুর থানার এসআই সালাউদ্দিন মোল্লা বুধবার বিকেলে জানান, বালি লুটের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও স্থানীয় কমিটি সমূহের সাথে সম্পর্ক রেখেছেন। নৌকা সমূহ কিন্ন মামলার আরও গুরুতর তদন্ত জারি করা হয়েছে।
বালি লুটের চালনা ও অপারেশনের পরিচয়
আরও তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘাগটিয়া ঝালোরটেক এলাকায় বালু চুরির অপরাধ চলছিল। খবর পেয়ে টুকেরবাজার নৌ পুলিশ এবং বাদাঘাট তদন্ত কেন্দ্র একটি যৌথ অভিযান চালিয়েছে। অভিযুক্তরা কয়েকটি নৌকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে বালু ভর্তি একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। জাদুকাটার পাড় কেটে নদী থেকে বালি বাহার প্রক্রিয়া গুরুতর স্থানীয় নিকট থেকে গুরুতর নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ বিশ্বাস করছে যে এই অপরাধে স্থানীয় শ্রমিক ও অর্থনৈতিক আস্থাভাজন কিছু মানুষের সহযোগিতা করেছে।