সোনারগাঁয়ে অটোরিকশাচালকের হত্যার পর মহাসড়ক অবরোধ
চ দ ন প য় অট চ – ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বুধবার (২০ মে) সকালে একটি সংঘটনে অটোরিকশাচালক মমিনুল (৪৮) মৃত্যুবরণ করেন। গত রোববার বিকেলে তিনি এলাকার লাইনম্যান শাহিন মমিনুলের কাছে চাঁদা না পেয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আহত অটোচালকের স্বজন ও স্থানীয় বাসিনদের প্রতিবাদে সোনারগাঁ এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ ঘটে। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় বাসিনদের আন্দোলন বাড়তে থাকে।
আহত অটোচালকের চাঁদা না পেয়ে মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে চাঁদা না পেয়ে অটোচালক মমিনুল তার স্বামী বিনোদ সাহার সঙ্গে লাইনম্যান শাহিন মমিনুলের কাছে চাঁদা দাবি করেন। প্রথমে তিনি চাঁদা দিয়েছেন বলে জানালে শাহিন তার সঙ্গে তর্ক শুরু করে। একটি লাঠি দিয়ে মমিনুলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে তিনি জ্ঞান হারান। স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।
আমার স্বামী ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার দুটি ছোট ছেলে রয়েছে। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করার ঘটনার জেরে আমি আজ পর্যন্ত বিচার চাই।
অটোরিকশাচালক মমিনুলের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে বিপ্লব সৃষ্টি হয়। পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষুব্ধরা অবরোধ তুলে নেন। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় মামলা করা হয়েছে। পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করার ঘটনার প্রতিবাদ ঘটনার সাথে সাথে বাড়তে থাকে।
অবরোধ আন্দোলনের পটভূমি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই ঘটনা কোনো অদূর প্রতিবাদের কারণ হিসেবে গৃহীত হয়। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করার ঘটনার পর এলাকার মানুষ আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করে। সোনারগাঁ এলাকার প্রতিক্রিয়া স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করা হয়েছে এটি বিশেষ করে গ্রামীণ বাসিনদের মাঝে আরও সংকট সৃষ্টি করে।
অবরোধ ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষুব্ধদের মাঝে ক্ষমতা সৃষ্টি করে। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করার ঘটনার জন্য পুলিশ একটি গুরুতর মামলা তৈরি করে। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার জানান, পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তদের খুঁজছে এবং বিচার প্রক্রিয়া চলছে। চাঁদা না পেয়ে অটোচালককে হত্যা করা হয়েছে এটি স্থানীয় জনগণের প্রতি অপমান বোধ করিয়ে দেয়।
অটোরিকশাচালক মমিনুল ছিলেন তার পরিবারের জীবিকা বিন