বকেয়া বেতনের দাবিতে পোর্টারদের হাহাকার
বক য় ব তন র দ ব – বকেয়া বেতনের দাবিতে পোর্টারদের সামনে অবস্থার গুরুতর অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পূর্ব মেড্ডা এলাকায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত টিকাদান কর্মসূচির অধীনে কাজ করছেন ২৭ জন টিকা বহনকারী কর্মী। প্রকল্পটি পরিচালনার সুবিধা সত্ত্বেও তাদের বৃত্তি পরিশোধ হচ্ছে না টানা ১০ মাস ধরে। সামাজিক পরিস্থিতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হাহাকার ভোগ করছেন তারা। পরিবারের সম্পূর্ণ ভরবারে নিয়ে এখন তারা সন্তানদের শিক্ষার জন্য অনিশ্চিত অবস্থায় চলেছেন।
কর্মীদের স্থায়ী আর্থিক অসুবিধা
বকেয়া বেতনের দাবিতে টিকা বহনকারী কর্মীদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে পরিচিতি পেয়েছেন নাহিদ মিয়া। তিনি একটি ছয় সদস্যের সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন প্রায় ৭০ হাজার টাকা ঋণের চাপে। তিনি বলেন, “সংসারের স্বামী, বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে আমার সামনে এখন একটি বিপর্যস্ত অবস্থা। বেতন পেলে তো কাজ করতে হয়, পেয়নি তো পরিবার কাছে ঋণ নিয়ে বসে পড়েছি।” বেতন না পেলে তারা সেবা সরবরাহের গুরুতর চাপ খাটাচ্ছে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন প্রতিরোধ প্রকল্পে তাদের কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে বেতন প্রাপ্তির দাবি করছেন।
বকেয়া বেতনের দাবিতে কর্মীদের ক্ষোভ মুখে প্রকাশ পেয়েছে যে তারা কাজ করছে নিয়মিত কিন্তু আয় অপূর্ণ অবস্থায় কাছাকাছি দুর্দশা ভোগ করছেন। হেপাটাইটিস-বি ও এমআরসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্পে টিকার সরবরাহ বজায় রাখতে তাদের নিয়মিত কাজ করতে হয়। এ দাবি অব্যাহত থাকায় আর্থিক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে তাদের পরিবারের প্রতি সময় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিভাগ থেকে সামান্য সহায়তা
সিভিল সার্জন নোমান মিয়া বলেন, “বকেয়া বেতনের দাবি সম্পর্কে আমরা সচেতন। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে তাড়াতাড়ি কর্মীদের বেতন চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে।” তিনি বলেন যে প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেতন পরিশোধের আইনি ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে। প্রতিরোধ প্রকল্পে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব সম্পূর্ণ কর্মীদের উপর চাপ দিয়েছে এবং তাদের আর্থিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বকেয়া বেতনের দাবিতে সামাজিক ও আর্থিক বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে পোর্টারদের প্রতি। তারা স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুতর কাজে নিয়োগ পেয়েছেন কিন্তু অর্থ প্রাপ্তি বন্ধ রয়েছে। কর্মীদের অবস্থা বিস্তার লাভ করছে যে স্বাস্থ্য প্রকল্পে কাজ করে চলেছেন কিন্তু নিজেদের পরিবার পোষণ করতে না পারছেন। বৃদ্ধি পাচ্ছে দুর্দশার পরিমাণ এবং অবস্থার অবনতি দেখা দিচ্ছে আরও গু