বাংলাদেশের বিজয় জায়গায় পাকিস্তানের প্রতিরোধে স্পেশাল ম্যাচ
টেস্ট পর্যায়ে নতুন সূত্র সৃষ্টি হয়েছে
র জওয় ন স লম ন র – রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ কর্তৃক তৈরি করা ৪৩৭ রানের গুরুতর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান আক্রমণের মুখে পড়ে ছিল। তারা প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। পরবর্তী ইনিংসে বাংলাদেশ কর্তৃক তৈরি করা লিড অতিক্রম করতে নেমে পাকিস্তান বাহিনী আক্রমণের পর পর বিপর্যয় অভিজ্ঞতা পেয়েছে।
৪১ রানে দুটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান অবিচ্ছেদ জুটি রিজওয়ান এবং সালমান আলির পরিচয় গুরুতর সূত্র সৃষ্টি করেছে। এই দুই ব্যাটার বিপক্ষ দলের প্রতিরোধে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাইজুল ইসলাম ক্যাচ দিয়ে আব্দুল্লাহ ফজলকে আউট করেন এবং সৌদ শাকিলকে একটি বিস্ফোটক ওয়াইডিশ ইয়র্কারে ফিরিয়ে দেন।
নাহিদ রানার গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজের বিপক্ষে আব্দুল্লাহ ফজলের প্রথম বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নেওয়া হয়। দুই উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ দারুণ সংকটে পড়ে। আবার অন্য ওপেনার আজান আওয়াইসকে লাইন থেকে বাদ দেওয়া হয় নাহিদ রানার ফাঁদে।
বাবর আজম ও শান মাসুদ ক্রমাগত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। কিন্তু তাইজুল ইসলামের পার্বত্য খেলোয়াড়ী স্পিন বল দ্বারা বাবর আজমকে ৪৭ রানে গ্লাভসবন্দি করে সম্পূর্ণ বিপর্যয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন চলে যায়। মাহমুদুল হাসান ক্যাচ দিয়ে শান মাসুদের প্রতিরোধ বিচ্ছিন্ন করে।
পাকিস্তানের সংগ্রহ শেষে ৫ উইকেটে ২৫৩ রান হয়। বাংলাদেশের সামনে এখন প্রয়োজন হয়েছে মাত্র ৫টি উইকেট। যার মাধ্যমে ম্যাচ নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে পাকিস্তান। আর বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত স্কোরে আটকে পড়েছে চার উইকেট পেয়া দল পর্যন্ত।
বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের প্রতিরোধ বাড়িয়ে আসে। সংগ্রহ করা বাংলাদেশের বিশাল লিড মুশফিকুর রহিমের চূড়ান্ত সেঞ্চুরিতে নিজেদের প্রতিরোধ বাড়িয়ে আসে।