পাট খাতকে ৭ বিলিয়ন ডলারের শিল্প বানানোর লক্ষ্য সরকারের
প ট খ তক ৭ ব ল – পাট খাতকে ৭ বিলিয়ন ডলারের শিল্প বানানোর লক্ষ্য সরকারের কাছে নতুন করে অবতরণ করেছে সংবাদ প্রকাশ করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি। এ ঘোষণা করা হয়েছে বহুমুখী পাটপণ্য মেলা-২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। মন্ত্রী জানান, পাট খাতে সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশের রপ্তানি আয়ে এই খাতের অবদান বৃদ্ধি করা সম্ভব। মন্ত্রী বলেন, এ খাত বিশ্বব্যাপী স্থান অর্জন করতে সাহায্য করবে বহুমুখী পাটপণ্যের বিস্তার এবং গুণগত উন্নয়ন।
পাট খাতের বর্তমান অবস্থা এবং সরকারি উদ্যোগ
প্রাকৃতিক উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রসেসিং এবং বিপণন পর্যন্ত পাট খাতের অনেক স্থানে বিকাশ ঘটেছে। তবে এখনও পাট খাতের অবদান প্রায় এক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। সংবাদ বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয় ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে কিন্তু পাট খাত দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধির মূল ভূমিকা পূরণ করছে না। সরকার পাট খাতের সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগে আশা করা হচ্ছে পাট খাত এক বিলিয়ন ডলার হতে সাত বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হবে।
মন্ত্রী বলেন, পাট খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে দেশে উন্নত মানের পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা। বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ছয় হাজার টন পাটবীজের চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। ভাতিক পাটবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের হবে। এ উদ্যোগে গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আছে।
প্রসেসিং এবং বিপণন ক্ষেত্রে বিস্তার খুঁজছে সরকার
সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাট খাতের উন্নয়নে আরও প্রসেসিং উৎপাদনের মাধ্যমে বৃদ্ধি ঘটানো হচ্ছে। বর্তমানে পাট থেকে উৎপাদিত পণ্যগুলোর বিপণন ক্ষেত্রে বিস্তার দেখা যাচ্ছে। এ খাতের সম্ভাবনা ব্যবহারের জন্য সরকার আরও নতুন ব্যবস্থা প্রবোধন করেছে। সেগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে পাটপণ্যগুলো বিপণনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচার এবং বিশ্বব্যাপী জুট প্রসেসিং উৎপাদনে অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষ্য রয়েছে।
পাট খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জুট উন্নয়ন বোর্ড। সংবাদ প্রকাশ করেন, এই সংস্থা পাট খাতের বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং এবং প্রযুক্তি প্রবর্তনের সঠিক পরিকল্পনা করেছে। বর্তমানে পাট খাতের মাধ্যমে সম্ভাবনা ব্যবহার করে আর্থিক প্রবৃদ্ধির জন্য সংগঠিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের নাগরিক প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজার বিস্তারে নত