Bangladesh

ফের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, বাড়বে গ্যাস সংকট

ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ - কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ

Desk Bangladesh
Published August 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Techtaranga.com_17871551179002
Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. এলএনজি সরবরাহে নতুন বন্ধ, দেশজুড়ে গ্যাস সংকটে ফের চরম অবস্থা
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

এলএনজি সরবরাহে নতুন বন্ধ, দেশজুড়ে গ্যাস সংকটে ফের চরম অবস্থা

Banglabeacon.com – ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ – কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে সম্পূর্ণ থেমে যায়। এলএনজি কার্গো না পৌঁছানোর ফলে গত তিন দিন ধরে সরবরাহ ধীরে ধীরে কমে আসছিল, আর বুধবার সেটি শূন্যে নামে। খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এতে পুরো দেশে গ্যাস সংকট আবার তীব্র আকার ধারণ করবে।

দৈনিক চাহিদা ও সরবরাহের হিসাব

সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিদিন গ্যাসের মোট চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত গ্যাস এবং আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে দৈনিক প্রায় 270 কোটি ঘনফুট সরবরাহের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিড পাইপলাইনে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট পৌঁছে দেওয়া হয়।

মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল পরিচালিত হয়। একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির, যার সর্বোচ্চ দৈনিক ক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট। অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের, যার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৫০ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট।

বুধবারের সরবরাহ পরিসংখ্যান

পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক্সিলারেটের স্থবিরতার প্রভাবে বুধবার দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ২১৮ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুটে নেমে আসে। এই পরিমাণের মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে ১৬২ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট, আর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে মাত্র ৫৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট।

আগুনের ঘটনা থেকে বর্তমান পর্যন্ত

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৫ আগস্টে টার্মিনালটি পুরোদমে এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল। তবে নতুন কার্গো না আসায় পুরোনো মজুত থেকে আংশিক সরবরাহ শুরু করা হয়। সোমবার থেকে সরবরাহ ক্রমশ কমতে থাকে এবং বুধবার সেটি সম্পূর্ণ থেমে যায়।

জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কম দামে এলএনজি সংগ্রহের লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বেশ কিছু কার্গোর ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল। আগস্ট মাসে চারটি কার্গো পৌঁছানোর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটিও আসেনি। ফলে টার্মিনাল প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না।

সামিটের সমান্তরাল সমস্যা

এদিকে সামিটের টার্মিনালও গত ১৩ আগস্ট বিকেল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। মজুদ ফুরিয়ে যাওয়া এবং উত্তাল সাগরের কারণে কার্গো ভিজে না পাওয়া এই বন্ধের পেছনে প্রধান কারণ। পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দুটি এলএনজি টার্মিনাল একযোগে বন্ধ থাকায় ১৪ আগস্ট বিকেলে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ১৬৪ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। ওই দিন সন্ধ্যায় ৯ কোটি ঘনফুট সরবরাহ শুরু করে সামিট।

সামিটের সরবরাহ ফেরার পর ১৫ আগস্ট ভোরে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৪২ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়। তবে এরপর ধারাবাহিক হ্রাসের ধারা দেখা দেয় — ১৬ আগস্ট ২৪০ কোটি, ১৭ আগস্ট 228 কোটি এবং ১৮ আগস্ট ২১৯ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে।

সংকটের প্রভাব

আগুনের ঘটনার পর এক্সিলারেট বন্ধ হওয়ার ফলে দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র আকার নেয়। অধিকাংশ বাসাবাড়িতে চুলার গ্যাস লাইন বন্ধ হয়ে যায়। সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয়; অনেক স্টেশনে গ্যাসই পাওয়া যায়নি। সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে লোডশেডিং বেড়ে যায়। শিল্পকারখানার উৎপাদনেও স্থবিরতা নেমে আসে।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

পেট্রোবাংলার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) একটি কার্গো পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। এক্সিলারেটের জন্য কার্গো আগামী ২৩ বা ২৪ আগস্টে আসতে পারে। কার্গো না পৌঁছানো পর্যন্ত এক্সিলারেট থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধই থাকবে।

Frequently Asked Questions

What is ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ?

ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ matter?

ফ র এলএনজ সরবর হ বন ধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment