কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা মুক্তির রোডম্যাপ | সংবাদ
ক ষ পণ য আমদ ন ন - টমেটো, কাঁচামরিচ ও পেঁজার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যে বিদেশের ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে দূর করার একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ হাতে নিয়েছে
Table of Contents
কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা দূর করার চার-বছরীয় পরিকল্পনা
Banglabeacon.com – ক ষ পণ য আমদ ন ন – টমেটো, কাঁচামরিচ ও পেঁজার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যে বিদেশের ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে দূর করার একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পর্যাযক্রমে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, আধুনিক সংরক্ষণ-সুবিধা সম্প্রসারিত করা এবং উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে চার বছরের মধ্যে এই পণ্যগুলোর আমদানি-নির্ভরতা থেকে দেশটি সম্পূর্ণ মুক্ত হবে বলে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দৃঢ় আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
পেঁজা: সংরক্ষণ-প্রযুক্তির নতুন অধ্যায়
মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত পেঁজার কোনো আমদানির প্রয়োজন হয়নি।
“এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁজা আমদানি করতে হয়নি। আগে সংরক্ষণের অভাবে পেঁজা পচে নষ্ট হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে ছয় মাস পর্যন্ত পেঁজা সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামীতে ৩ লাখ টন পেঁজা সংরক্ষণের অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করা হবে। আগামীতেও এ পণ্য আমদানির প্রয়োজন হবে না।”
সংরক্ষণ-প্রযুক্তির এই অগ্রগতির ফলে ঋতু-নির্ভর চাহিদা আর আমদানিতে পূরণের প্রয়োজন হবে না বলে মন্ত্রণালয়ের ধারণা।
কাঁচামরিচ ও টমেটো: বর্ষাকালীন সংকটের সমাধান
বর্ষাকালে কাঁচামরিচ ও টমেটোর সরবরাহ-সংকট মোকাবিলায় বিশেষ চাষ-পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। মরিচগাছের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের কাজ চলমান। একইসঙ্গে টমেটোর ক্ষেত্রে বর্ষাকালীন উৎপাদনের নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং উন্নত বীজ দেশে আনা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে মাত্র দুই মৌসুমের মধ্যে টমেটো আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হবে বলে মন্ত্রীর বক্তব্য।
আদা, পাটবীজ ও পেঁজাবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সময়সীমা
আদার ক্ষেত্রে আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে এবং পাটবীজ ও পেঁজাবীজ উৎপাদনে তিন-চার বছরের মধ্যে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
সরকারের মূল লক্ষ্য
“সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে কোনো কৃষিপণ্য যেন বাইরে থেকে আমদানি করতে না হয়। সে লক্ষ্যে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
সৌরবিদ্যুতে সেচ: খরচ কমানোর পথ
কৃষকের সেচ-খরচ হ্রাসে বড় ধরনের পদক্ষেপ হিসেবে দেশের সকল সেচ পাম্পকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে ৬০ থেকে ৬২ হাজার পাম্প সৌরবিদ্যুতে চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষক কার্ড ও অন্যান্য অর্জন
কৃষি সচিব মো. সেলিম খানের উপস্থিতিতে মন্ত্রী কৃষি খাতের সামগ্রিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে; এর প্রাথমিক ধাপে প্রায় ১৪ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ প্রস্তুত রয়েছে।
গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ডের হিসাব প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, ২৫ লাখ চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৪ লাখ ১৮ হাজার চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ৪৭৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৭৫ দশমিক ৬১ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করার সুসংবাদ দেন তিনি।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ক ষ পণ য আমদ ন ন?
ক ষ পণ য আমদ ন ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ক ষ পণ য আমদ ন ন matter?
ক ষ পণ য আমদ ন ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.