দারাজে বিজ্ঞাপন দিয়ে মাদক বিক্রি, বাড্ডায় কেমিস্ট গ্রেপ্তার | সংবাদ
দ র জ ব জ ঞ পন - রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে একজন কেমিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযোগের বিষয় — অনলাইন মার্কেটপ্লেস
Table of Contents
দারাজে ‘সিবিডি তেল’ নামে টিএইচসি বিক্রির অভিযোগে বাড্ডা থেকে কেমিস্ট গ্রেপ্তার
Banglabeacon.com – দ র জ ব জ ঞ পন – রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে একজন কেমিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযোগের বিষয় — অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে বিজ্ঞাপন দিয়ে নিষিদ্ধ মাদক বিক্রি করা। গ্রেপ্তার ব্যক্তি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, বয়স ৪০ বছর। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, তিনি পেশায় কেমিস্ট।
কীভাবে ধরা পড়লেন
ডিএনসির কর্মকর্তারা প্রথমে অনলাইনে একটি তরল পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখতে পান, যার নাম দেওয়া ছিল ‘সিবিডি তেল’। তথ্য পাওয়ার পর কর্মকর্তারা ক্রেতার ভূমিকায় সেটি সংগ্রহ করেন। রাসায়নিক পরীক্ষায় ওই তরলে টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (টিএইচসি) নামের মাদকের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। এরপর আরও তিন বোতল মাদকের ফরমাশ দেওয়া হয়। গত ১৬ আগস্ট ওই পার্সেল পৌঁছে দিতে গিয়ে দারাজের একজন ডেলিভারিম্যান ধরা পড়েন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার সাঁতারকুল এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং সেখান থেকে আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উদ্ধার ও মামলার বিবরণ
অভিযানে তার কাছ থেকে ৬২০ মিলিলিটার টিএইচসি উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএনসির হিসাব অনুযায়ী উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। এছাড়া মাদক প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করার সরঞ্জাম, ৫০টি ছোট কাচের বোতল, দারাজের লোগোযুক্ত পলিথিন, কম্পিউটার ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সোমবার বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় আনিসুর রহমানের পাশাপাশি দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও আসামি করা হয়েছে।
পাঁচ বছরের কারবার
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গত পাঁচ বছর ধরে দারাজের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রায় ৪০৫ বোতল টিএইচসি বিক্রি হয়েছে। টিএইচসিকে ‘সিবিডি তেল’ বা অন্য নামে বাজারজাত করা হতো। গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি তরল নির্যাস বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হতো। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব মাদক অবৈধ পথে ভারত থেকে দেশে আনা হতো। পরে ছোট বোতলে ভরে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করা হতো।
আনিসুর রহমানের পটভূমি
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, আনিসুর রহমান রসায়ন বিষয়ে পিএইচডি করেছেন। জাপান থেকে দেশে ফিরে তিনি হাতে তৈরি সাবানের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। পরে ওই ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।
দারাজ ও ডিএনসির প্রতিক্রিয়া
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পণ্যটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের আরও কোনো পণ্য রয়েছে কি না, তা শনাক্ত ও অপসারণে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
উপরের বিবৃতি দারাজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ডিএনসি জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is দ র জ ব জ ঞ পন?
দ র জ ব জ ঞ পন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does দ র জ ব জ ঞ পন matter?
দ র জ ব জ ঞ পন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.