অক্টোবরে ৫ বিভাগে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী | সংবাদ
অক ট বর ৫ ব ভ গ - দেশের শিশু স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে আগামী অক্টোবর মাসে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই তথ্যটি
Table of Contents
অক্টোবরে পাঁচটি বিভাগে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু হবে: প্রধানমন্ত্রী
নতুন হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা
Banglabeacon.com – অক ট বর ৫ ব ভ গ – দেশের শিশু স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে আগামী অক্টোবর মাসে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই তথ্যটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন। খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় এই হাসপাতালগুলো নির্মিত হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতালে মোট শয্যা সংখ্যা থাকবে ২০০টি।
নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল উদ্বোধন অনুষ্ঠান
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান। সকাল ১০টায় নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করেন তিনি। এরপর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তি ও সুশাসনের সমন্বয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের এই সম্প্রসারণ সেই লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।
হাসপাতালটির ইতিহাস স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বিশেষায়িত হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সময়ের প্রয়োজনে এখন এটি আরও আধুনিক ও বড় হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে স্ট্রোক, খিঁচুনি ও ডিমেনশিয়ার মতো স্নায়বিক রোগের প্রকোপ বাড়ছে। নতুন ৫০০ শয্যার এই ভবনটি এসব রোগের উন্নত চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা পান, সেটিই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ ভবনের উদ্দেশ্য। তবে তিনি কেবল প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণ ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্ব দেন।
রোগীর ভয় ও উদ্বেগ দূর করতে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। যদি চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি না হয়, তবে কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন করে দেশের মানুষের বিদেশমুখী চিকিৎসা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is অক ট বর ৫ ব ভ গ?
অক ট বর ৫ ব ভ গ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does অক ট বর ৫ ব ভ গ matter?
অক ট বর ৫ ব ভ গ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.