ঈদে নারীদের আলাদা কামরা: হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ
ট র ন ন র দ র – ট্রেনে নারীদের পৃথক কামরা: হাইকোর্ট আগামী ঈদে নারীদের জন্য আলাদা কামরা বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে। এই বিশেষ নির্দেশ মঙ্গলবার (১২ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি আসিফ হাসানের পরিচালিত আদালতে প্রায় ১৩০ বছরের মতো পুরনো আইনের পুনরায় কার্যকর করার জন্য গৃহীত হয়েছে। বিশেষ নির্দেশটি সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য একটি আলাদা কামরা বরাদ্দ করতে বাধ্য করেছে, যাতে স্বামী বা অভিভাবকের সাথে থাকার পরিস্থিতি মানে শিশুদের সাথে জটিলতা দূর করা হয়।
আইনের পুনরায় কার্যকর করা হলো বিশেষ নির্দেশ
হাইকোর্টের আদেশে ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কামরা বরাদ্দ করার বিধান আবারও জারি করা হয়েছে। আইনের ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৬৪ ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশ দ্বারা নারীদের যাত্রার সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। ট্রেনের ছাদে নারীদের প্রবেশ করতে হয়েছিল গত ঈদে কারণ সেই সময় নারীদের পৃথক কামরা ছিল না। এই সুবিধা বরাদ্দ করা হয় যাতে অনেকে সময়ের পরিবর্তে অবৈধ ভাবে ট্রেনে উঠতে না হয়।
“ট্রেনে নারীদের পৃথক কামরা বরাদ্দ করার আইন এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে পালন করা হয়নি। গত রোজার ঈদে সেই সুবিধা অপ্রযোজ্য ছিল, ফলে নারীদের বাধ্য করা হয়েছিল ট্রেনের ছাদে চড়ে প্রবেশ করা। এটি তাদের আইনগত অধিকার লঙ্ঘন করেছিল,” বলেন আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন।
পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে সুবিধার জন্য
হাইকোর্ট নির্দেশনা মতে পুরুষ বিনা অনুমতিতে ট্রেনে নারীদের জন্য পৃথক কামরায় প্রবেশ করলে জরিমানা করা হবে। আইনের ১১৯ ধারার তত্ত্বাবধানে নারীদের জন্য আলাদা কামরা এবং শৌচাগার সংযুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিধানে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া পরিষ্কার হবে যাতে সামাজিক অনুমতি বিনা অনুমতিতে ট্রেনে নারীদের পৃথক কামরার ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়।
রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন সংবাদকে বলেন, “ট্রেনে নারীদের পৃথক কামরা সুবিধা বিধান এখনও অপ্রযোজ্য ছিল গত ঈদে। ফলে নারীদের চড়ে ট্রেনে প্রবেশ করতে হয়েছিল ছাদে।” �