বিএসইসি তদন্তে দুদক সাকিব ও আসামি ১৫ জনের নথি জব্দ করেছে
শ য় র ক ল ঙ ক – বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক আত্মসাত করা ২৫৭ কোটি টাকার মামলার তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি ঘটেছে। বিএসইসি নিয়ন্ত্রণে পুঁজিবাজারে ঘটে যাওয়া শেয়ার কেলেঙ্কারি ঘটনার প্রতিবেদন ও নথিপত্র দুদক দখল করেছে। সাকিব আল হাসান সহ মোট ১৫ আসামির সব নথিপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
বিএসইসি প্রতিবেদন থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে
২০২৪ সালের ১৪ মে বিএসইসি চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে আবুল খায়ের হিরু বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি নীতিমালার ও শেয়ারবাজার আইনের প্রতি লঙ্ঘন করেছেন। বিএসইসি দ্বারা তৈরি তদন্ত প্রতিবেদন এবং এনফোর্সমেন্ট নথিপত্রগুলো সত্যায়িত ছায়ালিপি হিসেবে দুদক পর্যালোচনা করছে।
“ওই মামলার তদন্ত চলছে। বিএসইসি থেকে আলোচিত কারসাজির ঘটনার জন্য সমস্ত তদন্ত ও এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদনের সত্যায়িত ছায়ালিপি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।” বলেন দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।
দুদকের তদন্ত দল জানিয়েছে যে আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় অপরাধ লব্ধ অর্থ পুঁজিবাজার থেকে সংঘবদ্ধ চক্রটি কৌশলে তুলে নিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন খাতে অর্থ স্থানান্তর করেন এবং লেয়ারিং করে এই বিপুল অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করেন। অনুসন্ধানে হিরুর ১৭টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন তথ্য পাওয়া গেছে।
মামলার প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরু মার্কেট ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে অসাধু উপায়ে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন। তিনি সাকিব আল হাসানকে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে বাধ্য করেছেন, যে ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফাঁদে ফেলা হয়। পরিণতিতে সাকিব রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে মামলার সাথে যুক্ত হয়েছেন এবং বিএসইসি থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা আত্মসাত করেছেন।
বিএসইসি এবং দুদক পুঁজিবাজারে দুর্নীতি দমন করার জন্য মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা সংঘবদ্ধভাবে আত্মসাত করেছে। এর কারণে বিএসইসি এবং দুদক একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তার মধ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০বি ও ১০৯ ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সাকিব আল হাসান বিগত ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এবং