Bangladesh

জালিয়াতির দায়ে গোবিপ্রবির ৬ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার

জ ল য় ত র দ য় - আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে তথ্য জালিয়াতি, ভুয়া পিয়ার রিভিউ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অনুমোদনহীন ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে গোলপালগঞ্জ

Desk Bangladesh
Published August 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Michael Brown - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. গোবিপ্রবির ছয় গবেষণাপত্র প্রত্যাহার: তথ্য জালিয়াতি ও এআই অপব্যবহারের অভিযোগ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

গোবিপ্রবির ছয় গবেষণাপত্র প্রত্যাহার: তথ্য জালিয়াতি ও এআই অপব্যবহারের অভিযোগ

Banglabeacon.com – জ ল য় ত র দ য় – আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে তথ্য জালিয়াতি, ভুয়া পিয়ার রিভিউ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অনুমোদনহীন ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে গোলপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই গবেষণাপত্রগুলোর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও চারজন সাবেক শিক্ষার্থীর নাম যুক্ত রয়েছে। আন্তর্জাতিক ডাটাবেজ ‘রিট্রাকশন ওয়াচ’ বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রকাশকদের প্রত্যাহার নোটিশে বলা হয়েছে, গবেষণাপত্রগুলোতে তথ্যের অসংগতি, ফলাফল জালিয়াতি, ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন, সাইটেশন কারসাজি এবং তৃতীয় পক্ষের অনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে। তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে এই ছয়টি গবেষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এগুলো ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল।

বিভাগভিত্তিক গবেষণাপত্র ও অভিযুক্তদের বিবরণ

প্রকাশের সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)’। গত বছরের জানুয়ারিতে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে ‘গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ করা হয়। প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে গণিত বিভাগের দুটি, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের দুটি, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুটি এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারিদা আহমেদ শামির বিরুদ্ধে। তার দুটি গবেষণাপত্র তথ্য জালিয়াতি ও এআই-সৃষ্ট কনটেন্ট ব্যবহারের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক শিক্ষার্থী তানজিম ইশরাক রহমান, দীপ্তা দে, শেখ সোহাগ এবং মো. হাসিবুল হাসানের নামযুক্ত পৃথক চারটি গবেষণাপত্র সন্দেহজনক প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় ও অবিশ্বস্ত ফলাফলের কারণে বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যথাযথ তদন্ত ছাড়া কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান যে, তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামের সাথে জড়িত বিষয়। কেন এসব পেপার প্রত্যাহার করা হলো, তা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে খতিয়ে দেখা হবে। গবেষণায় কোনো অসদাচরণের প্রমাণ পেলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাতের বিবৃতিতেও একই ধরনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেছেন যে, কেন এসব পেপার প্রত্যাহার করা হলো, তা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে খতিয়ে দেখা হবে। গবেষণায় কোনো অসদাচরণের প্রমাণ পেলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Frequently Asked Questions

What is জ ল য় ত র দ য়?

জ ল য় ত র দ য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does জ ল য় ত র দ য় matter?

জ ল য় ত র দ য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment