১১৯ কোটি টাকা পাচারের মামলায় এবার দুদকের জালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা
১১৯ ক ট ট ক প চ – আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে, যিনি সংবাদ প্রকাশকারী মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের সাবেক কর্মকর্তা। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তার গ্রেপ্তার আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই আদেশ নিশ্চিত করেন।
গত ২৩ মার্চ রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পর বিভিন্ন মামলার প্রতিটি ধাপে রিমান্ড শেষে গত ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পূর্বে তিনি ফেনীতে জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবং বনানী থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।
দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ গত ২৫ মার্চ মামলার প্রসঙ্গে আবেদন করেন। সোমবার শুনানির দিন তাকে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে দুদক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি গ্রেপ্তারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ জারি করেন।
“মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং অন্যান্য আসামিরা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। শ্রমিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করে তারা পাবলিক সার্ভেন্ট হিসাবে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণ করেন।”
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় পাঠানো ৭ হাজার ১২৪ জন কর্মী থেকে মোট ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়েছে। দুদক এই ঘটনার প্রতিবেদন দায়ের করেছে। আসামি অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন, তাই তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো অত্যন্ত জরুরি ছিল।