উৎসবের রঙে সেজেছে ঐতিহাসিক মসূয়া গ্রাম
উৎসব র রঙ স জ ছ ঐত – কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রাম বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হওয়া শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলায় বর্তমানে জনপ্রিয়তার চূর্ণ ছড়িয়েছে। মেলার প্রাঙ্গণে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন করা হয়েছে এবং পুরো এলাকায় প্রস্তুতি চলছে।
বিশাল মাঠে মেলা সৌন্দর্য প্রকাশ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে মেলার মূল সময় তিন দিনের মধ্যে সমাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও এই উৎসবের আঁচ অনেকদিন ধরে দেখা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা মাটির পুতুল ও কাঠের আসবাব সহ বিভিন্ন পণ্য সাজিয়েছেন। শিশুদের আনন্দের জন্য নাগরদোলা ও চরকি স্থাপন করা হয়েছে।
মেলা আয়োজনের জন্য রায়বাড়ির পুকুরঘাট ও ধ্বংসপ্রায় স্থাপনা সংস্কার করা হয়েছে। ফলে এই স্থান এখন পর্যটনের আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বিশাল মাঠ বিস্তার করে সব প্রকার দোকান স্থাপন করা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে আধুনিক রেস্টহাউস ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইজারা মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে যে এ বছর মেলার ইজারা মূল্য গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে। গত বছর মেলার ইজারা ছিল ৭১ হাজার ৭০০ টাকা, যা এবার দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকার মাপাক।
মেলাটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। যাতে এটি নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় হয়, সে জন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।
মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য বিল্লাল হোসেন বলেন, “এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। যাতে এটি নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় হয়, সে জন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।”
রায়বাড়িতে ১৮৬০ সালে জন্ম নেন শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী। পরে ১৮৮৭ সালে এখানেই জন্ম হয়েছিল সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, “মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”