বাংলার সংবাদপত্র বিশ্বের একটি প্রাচীন ও গৌরবময় নাম হিসেবে পরিচিত ‘দৈনিক সংবাদ’ পত্রিকা
ইত হ স র দর পণ – যে সংবাদপত্র তার মুখর লেখনী এবং সমাজ গঠনের সাথে যুক্ত হয়েছে, তার নাম বাংলার সংবাদপত্র বিশ্বের একটি প্রাচীন ও গৌরবময় বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত ‘দৈনিক সংবাদ’। নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছিল সেই পত্রিকা যখন মালিকানা বদলের পর থেকে সামাজিক সমালোচনা এবং সংস্কৃতি প্রসারের দিকে মনোনিবেশ করে।
প্রগতিশীল চিন্তাধারার মূল কেন্দ্রবিন্দু
১৯৫৪ সালে পত্রিকাটি হয়ে ওঠে প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রধান স্থান। এটি মুক্তচিন্তা প্রসার এবং বাঙালি সংস্কৃতি উন্নয়নের সাথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আহমেদুল কবিরে এর সঠিক পরিচালনা এবং জহুর হোসেন চৌধুরীর সম্পাদনা দ্বারা এটি আরও গুরুতর অবস্থান অর্জন করে।
সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান
সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে বজলুর রহমানের সাহায্যে পত্রিকাটি আরও বেগবান হয়ে ওঠে। সেই সাথে রণেশ দাশগুপ্ত, সত্যেন সেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, মোনাজাতউদ্দিন ও সন্তোষ গুপ্তের ক্ষুরধার লেখনী দ্বারা তার বিশিষ্টতা চার পাশে ছড়িয়ে পড়ে। তোয়াব খান ও কামাল লোহানী এর সম্পাদনা দ্বারা পত্রিকাটি আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সমাজের সম্প্রদান ও সমালোচনা এবং সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে পত্রিকাটি। একটি সংবাদপত্র কীভাবে সমাজের দর্পণ হতে পারে, তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে সংবাদ পত্রিকা পরিচিত।
রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী থেকে শুরু করে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত পত্রিকাটি সবখানেই প্রগতির পক্ষে এবং শোষণের বিরুদ্ধে উঠে আসে।
মুখর ছিল এই অফিস যখন মোহাম্মদ ফরহাদ ও আলী আকসাদের মতো রাজনৈতিক চিন্তাবিদদের মতো সংযোগ হত। পরবর্তীতে মতিউর রহমান ও মতিউর রহমান চৌধুরীর মতো গুণী ব্যক্তিত্ব দ্বারা এটি আরও গুরুতর করে ছিল।
‘সংবাদ’ হল দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে প্রথম সমাজে নারীদের জন্য আলাদা পাতা চালু করেছিল। সেই পাতার হাল ধরেছিলেন লায়লা সামাদ। হাবীবুর রহমানের মায়াবী কলমে এটি খেলাঘর নামে সামাজিক কার্যকারিতার নতুন বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত হয়েছিল।
দীর্ঘ ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সত্যের পথে অবিচ্ছেদ্য সারথি হিসেবে ও অধিকার র