Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৮৮ ফুট লম্বা, ওজন ২৭ টন! থাইল্যান্ডে এশিয়ার দানব ডাইনোসর

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

৮৮ ফুট লম্বা, ওজন ২৭ টন! থাইল্যান্ডে এশিয়ার দানব ডাইনোসর

Banglabeacon.com – ৮৮ ফ ট লম ব ওজন ২৭ - পৃথিবীর একাধিক কোণে ডাইনোসরের সাথে সংশ্লিষ্ট খবরগুলি আফ্রিকা ও আমেরিকার সাথে বেশি সম্পর্কিত ছিল। কিন্তু এবার সেই আঙিনায় নতুন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে—দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। থাইল্যান্ডে বিশাল একটি কঙ্কাল আবিষ্কৃত হয়েছে, যা প্রায় নয়টি হাতির ওজনের সমান হয়েছিল। এর দৈর্ঘ্য ছিল ৮৮ ফুট এবং ওজন ২৭ টন। এই জীবাশ্মটি ঘুরে বেড়াতো প্রায় দশক বছর আগে অঞ্চলটিতে বসবাসকারী ডাইনোসরগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এই ডাইনোসরটি ছিল তৃণভোজী প্রকৃতির। লম্বা গলা এবং ঘাড়ের বৈশিষ্ট্যের জন্য সৌরোপড গোত্রের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। জীবাশ্ম সম্পর্কে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় ডাইনোসর হিসেবে পরিচিত হয়েছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে খনন শুরু হয়, যার ফলে নতুন প্রজাতি নিশ্চিত করা হয়।

যারা এই বিশাল প্রাণীটির পূর্ণাঙ্গ আকার দেখতে আগ্রহী, তাদের জন্য সুখবর আছে। ডাইনোসরটির প্রতিরূপ তৈরি করা হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ব্যাংককের থাইনোসর মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে।

গবেষকেরা বলছেন, ডাইনোসর গবেষণার আগে এই অঞ্চলে এত বড় প্রাণী পাওয়া ছিল না। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রাপ্ত হবে। এছাড়াও ডাইনোসরটির নামকরণ করা হয়েছে ‘দ্য লাস্ট টাইটান’ বা শেষ দানব। কারণ এটি থাইল্যান্ডে ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কার করা হয়েছে সবচেয়ে নতুন শিলাস্তরগুলোর একটিতে। এটি যেন সেই অঞ্চলে বসবাসকারী শেষ বড় সৌরোপডগুলির প্রতিকার।

বিজ্ঞানসাময়িকী সায়েন্টিফিক রিপোর্টস-এ প্রকাশিত গবেষণার সাথে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাণীটি যে পরিবেশে বসবাস করত, তা পরে সমুদ্রে পরিণত হয়। এর ফলে বড় ডাইনোসরদের অস্তিত্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয়েছিল। এই আবিষ্কার থাইল্যান্ডের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে।

সূত্র: সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নাল, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন, রয়টার্স, থাইনোসর মিউজিয়াম ব্যাংকক