২০০০ টাকার জন্য মায়ের ওপর অভিমানে তরুণের আত্মহত্যা
২০০০ টাকার জন্য মায়ের ওপর অভিমানে ইয়াছিন লিখন প্যাদা আত্মহত্যা করেছেন
Banglabeacon.com – ২০০০ ট ক র জন য ম - ২০০০ টাকার জন্য মায়ের ওপর অভিমান করে ইয়াছিন লিখন প্যাদা (১৯) নামে এক তরুণ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সংঘটন স্থান হল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া এলাকায়। তিনি সেখানে বাস করতেন এবং নিজের মুঠোফোন ছাড়িয়ে আনতে মায়ের কাছে প্রায় এক হাজার টাকা চাওয়ার পর তার মাকে অভিযোগ করেন। মা তার প্রতি বিশেষ আবেগে স্বামী সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অনেক সময় তিনি নানার বাড়িতে থাকেন। আত্মহত্যার আগে তার জীবনে বিশেষ সংকট দেখা দেয়।
তরুণের কারখানার কাজ এবং মায়ের অভিযোগ
ইয়াছিন লিখন প্যাদা ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় একটি চামচ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। কয়েক দিন আগে তিনি নানার বাড়িতে আসেন এবং ঈদুল আজহার উপলক্ষে পরিবারের সাথে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মায়ের ওপর অভিমানে তিনি নিজেকে একটি মৃত্যুতে পৌঁছে দেন। তিনি গলায় ফাঁস দেয়ার মাধ্যমে আত্মহত্যা করেন যা তার আত্মীয় এবং পরিচিতদের কাছে দুঃখ ও চিন্তা জাগায়। এ ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে বিশেষ তদন্ন চালু করা হয়েছে এবং এটি স্থানীয় মানুষের মধ্যে একটি বিস্ময় সৃষ্টি করে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ
তরুণ ইয়াছিন মায়ের ওপর অভিমান করার পিছনে বিশেষ মানসিক চাপ ছিল। তার স্বামী সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে নানার বাড়িতে থাকেন। আত্মহত্যা ঘটনার আগে তার মাকে নিজের মুঠোফোন ছাড়িয়ে আনতে প্রায় ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। এটি তার জীবনে প্রথম ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। মায়ের প্রতি অভিযোগ করার পর তিনি গলায় ফাঁস দেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র বলেন যে তরুণ গৃহত্যাগ করেছিলেন মায়ের প্রতি বিশেষ ক্ষোভে।
পরিবার এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মন্তব্য
তার মা অবশেষে ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, স্বামী সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অনেক কষ্টে তার বোন লিখন প্যাদা কে বড় করেছিলেন। এখন তিনি এমন মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ। স্থানীয় মানুষদের মতে এই ঘটনা তাদের জীবনে একটি বৃহৎ পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে। তারা বলেন যে মায়ের ওপর অভিমান তার মৃত্যু ঘটনার প্রকৃত কারণ ছিল।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার পর নানার বাড়িতে বিশেষ আঁতকাটা ছিল। এ ঘটনার কারণে তার বাবা বাবুল প্যাদা গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের উত্তর বায়োরগাতি গ্রামে বাস করেন। তিনি মৃত পুত্রের মৃত্যু ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হিসেবে নিজে