Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হিলারির পর রুবিওর সফরে বড় কূটনৈতিক বার্তা

Published May 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

হিলারির পর রুবিওর কলকাতা সফরে বড় কূটনৈতিক বার্তা

Banglabeacon.com – হ ল র র পর র ব - প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিবের পদবি বহন করছে। ২০১২ সালের মে মাসে হিলারি ক্লিন্টনের সফরের পর শনিবার (২৩ মে) সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ম্যাক্রো রুবিও। তার স্ত্রী সঙ্গে ছিলেন। প্রোটোকল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ছাড়াই তিনি তালতলার মাদার হাউসে চলে যান। এটি মানবসেবার প্রতীক মাদার টেরেসার স্মৃতি বিজড়িত। ঘণ্টা দুয়েক সময় কাটান তিনি ও তার স্ত্রী। পরবর্তী দিন তারা একটি চিলড্রেনস হোমেও পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, এই সফরে সাংস্কৃতিক ও মানবিক প্রাচুর্য বহন করার জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ভ্রমণের কথাও রয়েছে। এই ঐতিহাসিক স্থাপত্য কলকাতার পরিচয়ের একটি প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত। রুবিও কলকাতা সফর শেষে শনিবার বিকেলে নিউ দিল্লি প্রস্তুত হন। দিল্লিতে পৌঁছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং কোয়াড্রিল্যাটেরাল সিকিউরিটি ডায়ালগ সহ বিষয়গুলি আলোচনার প্রস্তাব রয়েছে। এই সফরটি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সেরজিও গোর একটি সূচনা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তিনি এটিকে রুবিওর প্রথম ভারত সফর হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

এছাড়াও আগ্রা ও জয়পুরে সফরের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই সফরটি পূর্ব ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সাথে যুক্ত বাংলাদেশ সংলগ্ন ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সূচিত হয়েছে। শিল্পবান্ধব বার্তা এবং বিদেশি বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেখাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বড় ভূরাজনৈতিক খেলা নেপথ্যে

অনেকে বিশ্বাস করছেন, এই সফর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমেরিকার স্থান আরও শক্ত করার কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং বাংলাদেশে বিমানঘাঁটি ও অবকাঠামো বিনিয়োগ ঘিরে কৌশলগত চাপানউতোর প্রেক্ষাপটেও এই সফরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।