Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হরিণের সংখ্যা বাড়লেও থামছে না চোরাশিকার

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও চোরাশিকারি দৌরাত্ম্য কমছে না

Banglabeacon.com – হর ণ র স খ য ব - সুন্দরবনে হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও স্থানীয় কয়েকটি চোরাশিকারি চক্র সারা বছরই বন্য প্রাণী ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও রক্ষী চোরাশিকারিদের সহায়তা করে হরিণ শিকারে অংশগ্রহণ করছেন। অতঃপর পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও শিকারিদের ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

গত ১২ মে খুলনার ডুমুরিয়া এলাকায় হরিণের মাংসসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে জব্দ করা মাংস তাদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তকে ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। প্রাথমিক তদন্ন চালানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তা প্রমাণিত হয়েছে এর ফলে জেলা পুলিশ ওই দুই সদস্যকে খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেছে।

কালাবগি ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

সুন্দরবনের কালাবগি ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা আবদুস সালামের বিরুদ্ধে মোটা টাকার বিনিময়ে অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৭ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালসার খালপাড় এলাকায় একটি টহল দল বিষ প্রয়োগে পাঁচ জনকে আটক করে। পরে স্থানীয় ডিপো মালিকের সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কর্মকর্তা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বলেন, আটক ব্যক্তিদের নৌকার বৈধ পাস ও অল্প মাছ থাকার কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

“বাঘের প্রধান খাবার হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। যে পরিমাণ মাংস ও চামড়া আটক হয়, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি হরিণ শিকার করা হয়।” – সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক শুভ্র শচীন

বিষ দিয়ে মাছ শিকারের পাশাপাশি হরিণ ধরার ফাঁদ তৈরি করে পেশাদার শিকারিরা বনে যান। শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে গত বছরের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পূর্ব বন বিভাগ দ্বারা ৬১ হাজার ১০ ফুট মালা ফাঁদ ও ৩৮০টি ছিটকা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় ২২টি মামলায় ৬২ জন গ্রেপ্তার করা হয়।

পশ্চিম বন বিভাগে গত দুই বছরে এক হাজার ২০০ ফুট মালা ফাঁদ ও ৭৪৮টি হাঁটা ফাঁদ উদ্ধারসহ ৫০টি মামলার প্রাপ্তি হয়েছ