Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ, দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা

Published June 1, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ, দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা

Banglabeacon.com – স ন দরবন ত ন ম স - সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা আগামী ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে বন্য প্রাণী ও মৎস্য সম্পদ রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি আয়তন বিশাল অঞ্চলে বন্ধ করা হয়েছে। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে মোট ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার জায়গা রয়েছে, যার মধ্যে সামুদ্রিক অঞ্চল সমূহ দুই হাজার ৮৭৪ বর্গকিলোমিটার। এই জলভাগে সাদা মাছের ২১০ প্রজাতি, চিংড়ির ২৪ প্রজাতি ও কাঁকড়ার ১৪ প্রজাতি বাস করে। বিভিন্ন প্রাণী ও মৎস্য সম্পদের প্রজনন ও প্রবাহ বিধিমালার জন্য এই কার্যক্রম করা হয়েছে।

সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধের কারণ ও প্রতিক্রিয়া

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, "তিন মাস বিস্তার বিশেষ করে সাদা মাছের ডিম ছাড়ার জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই অবকাঠামো বিশেষ করে জলভাগের প্রাণীদের প্রাকৃতিক প্রজনন প্রক্রিয়া বিশুদ্ধ রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়।"

নিষেধাজ্ঞার জারি হওয়ার পর উপকূলীয় অঞ্চলের বাওয়ালি, মৌয়াল ও জেলেদের অনেকে সুন্দরবন থেকে গ্রামে প্রত্যাগমন করেছেন। তবে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ হওয়া অর্থ হল তাদের কাছে প্রাণী ও মৎস্য সম্পদ থেকে আয় কম হয়ে পড়বে। বনজীবীদের দাবি, সরকারি সহায়তা বা বিকল্প আয় উৎস প্রয়োজন। বন বিভাগ ও মৎস্য বিভাগ এই সমস্যার মুকাবিলা করতে সংকলন করছে।

সময়ের প্রভাব ও পরিকল্পনা

সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধের ফলে বিকল্প কর্মসংস্থান ও আর্থিক সমর্থন বিষয়টি আলোচনার জন্য সরকার বিভিন্ন স্তরে সংকলন করছে। কিছু বনজীবী বলছেন, তিন মাসের মধ্যে তারা জেলে ও মৌয়াল সম্পদ থেকে আয় কমাতে হবে। এই সময়টি তাদের কর্মকর্মীদের প্রতিক্রিয়া ও সংস্থানের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। এই প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘ সময় পর সমাধানের জন্য সরকার আরও ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছেন।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন আবার খোলা হবে। তিন মাস বিস্তার মাছ ধরার অনুমতি বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করছে। এই কার্যক্রমে বাড়াবাড়ি বন্ধ করা হয়েছে যাতে সাদা মাছ ও অন্যান্য প্রাণীদের প্রজনন সময় সুরক্ষিত থাকে। এই সময়টি সুন্দরবনের সম্পদ রক্ষার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা কর্মকর্তাদের সম্পদ রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। সুন্দরবন একটি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক অঞ্চল যেখানে বিশেষ করে সাদা মাছের প্রজনন সময় বিশেষ অর্থে বিবেচনা করা হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভিন্ন বনজীবী তাদের স্থানীয় প্রতিক্রিয়া �