Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সীমান্ত সুরক্ষায় জোর, বিএসএফকে ১৪২ একর জমি প্রদান

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

সীমান্ত সুরক্ষায় জোর, বিএসএফকে ১৪২ একর জমি প্রদান

সরকারের কর্মপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে

Banglabeacon.com – স ম ন ত স রক ষ - শান্তি রক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বড় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। রাজ্য সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী জমি হস্তান্তরের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত বিএসএফ এলাকায় নতুন আউটপোস্ট ও কাঁটাতারের বেড়া গড়ে তোলার জন্য ১৪২.৭৯ একর জমি দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে যে এই পদক্ষেপে সীমান্তে নজরদারি আরও দৃঢ় হবে। তবে এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি বহন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রচেষ্টা

পূর্বে পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত বিকাশে জমি সংক্রান্ত বিপদ ছিল। বিএসএফের অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অনেক দিন ধরে প্রক্রিয়া অগ্রগতি পেতে পারেনি। তবে নতুন সরকার এখন জমি অধিগ্রহণে দ্রুত হামলা করছে, যে পদক্ষেপ কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে বড় সংকেত দিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে অতীতে রাজনৈতিক কারণে জমি হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে সীমান্ত সুরক্ষা প্রকল্পে বিলম্ব ঘটেছে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আগের সরকারকে চাপ দেওয়া হয়েছে, এবং নতুন কর্মপ্রণালী দ্বারা প্রশাসনের দৃঢ়তা প্রকাশ পেয়েছে। গোটা সীমান্তের ২২০০ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও প্রায় ৬০০ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতার সম্পূর্ণ হয়নি, যে বিষয়টি নিরাপত্তার দিক থেকে সমস্যা সৃষ্টি করছে।

বিশ্লেষকদের মতামত

নতুন জমি হস্তান্তরের ফলে বিএসএফের উপস্থিতি বাড়বে। অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা জাল নোট চক্র সহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী সংবেদনশীল জেলাগুলিতে এই পরিবর্তনের প্রভাব বেশি হবে।

সরকারের লক্ষ্য ৪৫ দিনের মধ্যে ৬০০ একর জমি প্রদান করা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের প্রাপ্তি হয়েছে ১৪২.৭৯ একর। এতে প্রায় ৪৫০ একর জমি দ্রুত পরিষ্কার করা দরকার।

অব্যাহত চ্যালেঞ্জগুলি

অবশ্য এই পরিপ্রেক্ষিতে সমস্যাগুলি আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জমি হারানোর আশঙ্কা, পুনর্বাসনের প্রশ্ন এবং কিছু ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব সমান্তর করা সম্ভব। ফলে প্রকল্পের সাফল্য শুধু জমি হস্তান্তরের ওপর নির্ভর করবে না, বরং সামাজিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জগুলির মোকা�