Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সাঁওতালি ভাষায় শপথ: আদিবাসী ভাষার মর্যাদার নতুন দিগন্ত

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

সাঁওতালি ভাষার নতুন পরিচয়: শপথ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন

Banglabeacon.com – স ওত ল ভ ষ য় শপথ - পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষুদিরাম টুডু বাঁকুড়ার রানিবাঁধ কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। বিজেপি টিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি, যার ফলে তাঁকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তিনি পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার অন্তর্ভুক্ত হন এবং এই নতুন বিধায়ক শপথ অনুষ্ঠান ঘটনার বিশেষত্ব হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মদিনে সংঘটিত হয়।

অনুষ্ঠানটি কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সম্পন্ন হয়। এখানে প্রথমবারের মতো কোন বিধায়ক নিজ মাতৃভাষা সাঁওতালি ভাষায় শপথ গ্রহণ করেন। তাঁর পুরো শপথ বাক্য সাঁওতালি ভাষায় উচ্চারণ করেন এবং এ কার্যক্রমে রাজ্যের আদিবাসী সংস্কৃতি ও ভাষার গুরুত্ব স্থাপন করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে হয়।

এ নির্বাচনে সাঁওতাল বিধায়কদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লাবসেন বাস্কে, প্রণত টুডু, ছেত্রমোহন হাঁসদা, লক্ষ্মীকান্ত সাউর, দুর্গা মুরমু, অমিয় কিস্কু, যোয়েল মুরমু, বুধরায় টুডু, মিস মায়ন মুরমু, কমলাকান্ত হাঁসদা এবং ভদ্রা হেমব্রম। আগামীতে সাঁওতালি ভাষায় শপথ গ্রহণের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আঞ্চলিক ভাষায় শপথ নেয়া হয়েছিল প্রাকৃতিক কার্যক্রমে

২০২০ খ্রিস্টাব্দে ঝাড়খণ্ড রাজ্যে বিধানসভার সদস্যদের মধ্যে ৮১ জন সাঁওতাল বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক ভাষায় শপথ গ্রহণের কার্যক্রম গৃহীত হয়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনসহ ৫৫ জন হিন্দিতে শপথ নেন। বাকি ২২ জন ভিন্ন ভাষায় শপথ গ্রহণ করেন যেখানে ৫ জন হো ভাষায়, ৪ জন খোরঠা ভাষায়, ৩ জন সাঁওতালি ভাষায় এবং ২ জন আংগিকা ভাষায় শপথ পাঠ করেন।

আঞ্চলিক ভাষাগুলো হলো মথিলী, বাংলা, মুণ্ডারী, কুড়ুখ ও কয়েকটি অন্যান্য ভাষা। সংস্কৃত ভাষায় শপথ গ্রহণে তিন জন এবং উর্দু ভাষায় শপথ নেন এক জন। ভারতের সংবিধানের অষ্টম তফসিলে সাঁওতালি ভাষার সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে।

‘মমতা দিদি আমার ছোট বোনের মতো। তিনি হয়তো কোনো কারণে আমার ওপর রাগ করেছেন। এখানে এত বড় মাঠ রয়েছে, সভা করতে অসুবিধা হওয়ার কথা ছিল না। আসলে ইচ্ছা করেই আমাদের এই মাঠে সভা করতে দেয়া হয়নি।’

ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু পূর্বে শিলিগুড়িতে আন্তর্জ