Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিশু নির্যাতন রোধে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ডেপুটি স্পিকার শিশু নির্যাতন রোধে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

Banglabeacon.com – শ শ ন র য তন র - বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন মোকাবিলার জন্য একটি জাতীয় স্তরের সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শনিবার (৬ জুন) শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলা: প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ আহ্বান প্রকাশ করেন।

আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল প্রস্তুত

অনুষ্ঠানটি নিপীড়িত মহিলা ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকার কর্মী ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।

শিশু নির্যাতনের জন্য সমন্বয় আহ্বান

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।’ তিনি মন্তব্য করেন যে এ সমস্যার সমাধানে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীদার একত্রিত হতে হবে।

‘শিশু নির্যাতনের মূল কারণ চিহ্নিত করে আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি মূল্যায়ন করা জরুরি। শিশুদের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত,’ তিনি আরও বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে বলে মনে করেন কায়সার কামাল। সমাজে শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি মন্তব্য করেন যে বর্তমানে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক ও অনলাইন ভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং শিশু অধিকারের সামাজিক বোধে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।