Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শাল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

Published May 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

শাল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

Banglabeacon.com – শ ল ল য় দ ই পক - শাল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত হওয়ার ঘটনার পর সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার জনগণের মধ্যে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। এ সংঘর্ষে মানুষ হত্যা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মানুষ। যুবক পায়েল মিয়া (২৫) নামের এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন, যিনি ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিস্তার পেয়েছে এবং গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার স্থান ও সময়

মঙ্গলবার দুপুর প্রায় এগারটার দিকে শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে ঘটেছে এই সহিংস সংঘর্ষ। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, গত বছর সাইদুর রহমান ও শফি মিয়া পক্ষের মধ্যে এ বিষয় নিয়ে গুরুতর সংঘর্ষ ঘটেছিল। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি স্থিব করার জন্য পুলিশ দ্বারা সংঘর্ষ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।

ঘটনার বিস্তার

আবারও শাল্লায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছিল একটি ঘটনা। এ ঘটনায় পায়েল মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার বেগম ও আলকাস মিয়া সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের গুরুতর আহত করা হয়েছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় গ্রামবাসীরা অত্যন্ত বিষণ্ণ হয়েছেন এবং ঘটনার প্রতি সংবেদনশীলতা প্রকাশ করেছেন।

হামলার শিকার সাইদুর রহমান পক্ষের নেতা অভিযোগ করে বলেন, 'আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই শফি মিয়ার লোকজন পরিকল্পিতভাবে দেশি অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা নির্মমভাবে পায়েলকে হত্যা করেছে এবং আমাদের লোকজনকে জখম করেছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।'

অন্যদিকে শফি মিয়ার পক্ষের আওয়াল নূর মিয়া অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এবং ঘটনার সত্য বিষয়ে বিভিন্ন তর্ক চালাচালু করেছেন। এ ঘটনার পর গ্রামে গুলি আর গুলি ছাড়াও অনেক স্থানে ভিড় ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় গোষ্ঠী এবং বিশেষজ্ঞদের মতে এ সংঘর্ষ দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত হওয়া বিষয়ে সন্দেহ জাগিয়েছে।

আহত ব্যক্তিদের অবস্থা ও প্রতিক্রিয়া

পায়েল মিয়ার মৃত্যুর পর তার আহত পরিবার এবং স্থানীয় মানুষ বিপদের প্রতি সংবেদনশীলতা প্রকাশ করেছেন। ঘটনার সাথে তার বেগম ও আলকাস মিয়া সহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়েছে। এ সংঘর্ষের আহত ব্যক্তিদের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিকূল পরিস্থিতি বিস্�