Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

ঈদুল আজহার উৎসবে পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)

Banglabeacon.com – লক ষ যম ত র ছ ড় - লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে একটি পরিমাণ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। গত তিন দিনে ডিএসসিসি কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার কাজে মোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে। এটি প্রতিবেশীদের জন্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা ছাড়া অন্য কোন কারণে প্রাপ্ত হয়েছে। সাধারণত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এই কার্যক্রম বিশেষ আকর্ষণীয়।

আজ রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এই তথ্য জানান। তিনি বলেন এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অপসারণ করা বর্জ্য পরিষ্কার কাজের সফলতার প্রমাণ।

ঈদুল আজহার উৎসবে কোরবানির সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের একটি নিবিড় পরিকল্পনা পালন করেছেন। তিন দিনের জন্য বর্জ্য অপসারণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এটি একটি বিশেষ সাফল্য। যেহেতু বিভিন্ন শহরে এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, ডিএসসিসি তাদের কাজে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ করতে ডিএসসিসি সাড়ে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেছেন। তারা একটি নিয়মিত কার্যক্রম চালু করেছেন, যে কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বর্জ্য পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে সময় মুখ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে পশুর হাটের পরিচ্ছন্নতা বিষয়টি।

তদারকি প্রক্রিয়াতে অবহেলা বিস্তার পেয়েছে বলে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানান। সেই কারণে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজ পর্যন্ত একটি বিশেষ সংখ্যক ইজারাদার কাছ থেকে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমে পরিচ্ছন্নতা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বর্জ্য পরিষ্কার কাজে প্রয়োজনীয়তা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য পরিষ্কার কাজে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোরবানির সময় যে পরিমাণ বর্জ্য জমা হয় তা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বাহির করতে পারা হয়েছে। এই বিশেষ পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে একটি বিশেষ পরিবেশ রক্ষণ পরিকল্পনা পালন করা হয়েছে। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় রাখা হয়েছে।

এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কাজে কর্মকর্তাদের অনুপ্রাণিত করতে �