Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রক্তামাখা চিঠিতে ডাকাতির হুমকি, টর্চ-লাঠি হাতে গ্রামবাসী

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

রক্তামাখা চিঠির হুমকি আর টর্চ-লাঠি বিতরণ: গ্রামবাসীর আতঙ্ক

Banglabeacon.com – রক ত ম খ চ ঠ ত - ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এবং আশপাশের এলাকাগুলোতে ডাকাত ও চোরের আতঙ্ক বর্তমান। গ্রামবাসী এবং খামারিদের রক্তামাখা চিঠির মাধ্যমে ডাকাতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। চিঠিতে বাসাবাড়ির দরজা খুলতে বলা হয়েছে এবং সামনে এলাকার গরু লুট করার ঘটনা ঘটছে। এই প্রতিবেদনে রক্তামাখা চিঠির হুমকি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

রক্তামাখা চিঠি: আতঙ্কের নতুন পর্যায়

গত দুই মাসে রাজশাহী জেলার সামনে রেখে কোরবানির ঈদের আগে রক্তামাখা চিঠির মাধ্যমে গ্রামবাসীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। ডাকাতদের পক্ষ থেকে আট থেকে দশটি চিঠি সামনে পৌঁছেছে। চিঠিগুলোতে দরজা খুলতে না খুললে জিন্দা খালাস করে দেবেন বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মার চর থেকে কয়েকটি গরু লুট করা হয়েছে, যা খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে।

গ্রামবাসীদের পালাক্রমে পাহারা দিয়ে নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রাতে সামনে থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশ গ্রামবাসীদের সাথে বৈঠকের মাধ্যমে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করছে। রাস্তায় বাঁশকল পেতে বসানো হয়েছে এবং লাঠি, বাঁশি ও টর্চলাইট বিতরণ করা হয়েছে। গ্রামে খামারিরা প্রতিদিন চারপাশে জাল বোঝানো হয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, রক্তামাখা চিঠি থেকে জানা গেছে যে গত মাসে দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তৎপরতায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

গত দুই মাসে রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জ জেলায় রক্তামাখা চিঠির হুমকি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ গ্রামবাসীদের নিয়ে উঠান বৈঠক করছে। তদন্তে আট থেকে দশটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাতদের সম্ভাব্য চালান ও স্থানীয় বিরোধের জন্য তাদের উদ্বেগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রক্তামাখা চিঠি দিয়ে পুলিশ গ্রামবাসীকে সচেতন করছে। ঈদের পূর্বে ডাকাত ও চোরদের আতঙ্ক বাড়ছে। রাজশাহী বিভাগের পুলিশ এলাকায় গরু লুট প্রতিরোধে নামেছে। নিরাপত্তায় সড়ক ও মহাসড়কে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আগামীকাল থেকে সারাদেশে নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশ পেয়েছে।

গ্রামবাসীদের রক্তামাখা চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে যেহেতু কয়েকটি খামার থেকে গরু লুট হয়েছে। পুলিশের পরিকল্পনায় সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও মোবাইল টিম ও মোটরসাইকেল টহল জোরদার করা হয়েছে। রাস্তার পাশে নিরাপত্তা মহড়া বসানো হয়েছে।